বিজেপিকে সমর্থন জানানোর পুরস্কার? ৭০ হাজার কোটির সেচ কেলেঙ্কারি থেকে ক্লিনচিট অজিত পাওয়ারকে!
মহারাষ্ট্রে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারকে সমর্থন জানানোর দুই দিনের মধ্যেই কী তবে কেলেঙ্কারিমুক্ত হয়ে গেলেন এনসিপি নেতা তথা বর্তমানে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্য়মন্ত্রী অজিত পাওয়ার।
মহারাষ্ট্রে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারকে সমর্থন জানানোর দুই দিনের মধ্যেই কী তবে কেলেঙ্কারিমুক্ত হয়ে গেলেন এনসিপি নেতা তথা বর্তমানে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্য়মন্ত্রী অজিত পাওয়ার। এমনটাই জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার মহারাষ্ট্রের দুর্নীতি দমন ব্যুরো অজিত পাওয়ারের বিরুদ্ধে চলা ৭০ হাজার কোটি টাকার সেচ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলাটি বন্ধ করে দিয়েছে।

সেচ কেলেঙ্কারি
২০১০ সালে, মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস-এনসিপি জোট সরকারে উপমুখ্যমন্ত্রী হন অজিত। ২০১০ সালের নভেম্বর থেকে ২০১২-র সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অজিত পাওয়ার। সেচ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোর পর ইস্তফা দিয়ে জানান, এই অভিযোগ থেকে নিজের নাম মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমি বিধায়ক হিসেবে সেবা করব। কোনও মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করব না। সে সময় বিদর্ভের উন্নয়ন খাতেও কয়েক হাজার কোটি টাকায় দুর্নীতিতে নাম জড়ায় তাঁর।

অজিতের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ ফড়নবিশের
এরপর ২০১৪ সালে দেবেন্দ্র ফড়নবিস প্রথমবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে অজিতের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেন। ফড়নবিস ঘোষণা করেন, শীঘ্রই অজিতের জায়গা হবে আর্থার রোড জেলে। এরপর অক্টোবর মাসে বিধানসভা ভোটের আগেও ইডির তদন্ত হয় এই নিয়ে। এর জেরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন অজিত। শুধু অজিত নন, তাঁর কাকা তথা এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার সহ দলের ৭০ জন নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ইডি

ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব খাড়া করেছিলেন সঞ্জয় রাউত
এদিকে শনিবার শিবসেনার সঞ্জয় রাউত অভিযোগ তুলেছিলেন, অজিত পাওয়ারকে ব্ল্যাকমেল করে সরকার গঠনে বাধ্য করেছে বিজেপি। শনিবার সকাল ৮টার সময় মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারির কাছে গিয়ে বিজেপি ও এনসিপির তরফে সরকার গঠনের দাবি জানানো হলে সেই সময়ই তাঁদের শপথ প্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির সমর্থনের প্রমাণ দিতে অজিত পাওয়ারের সঙ্গে ছিলেন দলের আটজন বিধায়ক। পরে সেই ৮ জনের মধ্যে ৫ জন ফিরে আসেন বলে দাবি করেন সঞ্জয় রাউত। রাউত আরও অভিযোগ করেন যে ওই বিধায়কদের একপ্রকার কিডন্যাপ করে রাজভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আজকের মহারাষ্ট্র সরকারের এই পদক্ষেপে কি সঞ্জয় রাউতের অভিযোগই প্রমাণিত হল? বিভিন্ন মহল থেকে উঠতে শুরু করেছে এই প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications