Mahakumbh 2025: ভারতই মেলাবে রাশিয়া-ইউক্রেনকে! মহাকুম্ভে শান্তিযজ্ঞে দুই দেশের সন্ন্যাসীরা
Mahakumbh 2025: ১২ বছর পর মহাকুম্ভ মেলা। পুণ্যার্থীদের ঢেউয়ের অপেক্ষায় প্রয়াগরাজ (Prayagraj)। আর সেখানেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় হবে মহাযজ্ঞ (Yajna)। যুদ্ধে লিপ্ত রাশিয়া ও ইউক্রেন (Russia and Ukraine War) থেকে আসছেন সাধু সন্তরা (Saints)।
পুতিন ও জেলেনস্কির অহিনকুল সম্পর্ক ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে গঙ্গার পবিত্র জলে। এমনই আশা রেখে মহাকুম্ভের মেলায় প্রার্থনা করবেন দুই রাষ্ট্রের সন্ন্যাসীরা। ইতিমধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেন স্পিরিচুয়াল করিডর নির্মাণ করা হচ্ছে প্রয়াগরাজে। কাচ ও কাঠ দিয়ে তা তৈরি হচ্ছে। মহাকুম্ভের শিবিরে তা তৈরি করা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, ওই শিবিরেই বাকি সন্ন্যাসীদের সঙ্গে শান্তিযজ্ঞ করবেন ইউক্রেন ও রাশিয়ার সাধুসন্তরা। শিবশক্তি মহাযজ্ঞে বিশ্বের নানা দেশ থেকে প্রায় ১ হাজারেরও বেশি সাধুরা মিলিত হবেন। একসঙ্গেই পুজার্চনা সারবেন ইউক্রেন ও রাশিয়ার সন্ন্যাসীরা।
জুনা আখাড়ার অধীনে ওই সমস্ত সাধুসন্তরা মহাকুম্ভে যোগদান করবেন। আখাড়ার বরিষ্ঠ সন্ন্যাসী খাপ্পার বাবা জানান তাদের শিবিরে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে আসা মোট ৫০ জন সন্ন্যাসী কাঠের বাড়িতে থাকবেন। প্রয়াগরাজে গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে মিলিত হবেন ওই সন্ন্যাসীরা। যুদ্ধে লিপ্ত দুই দেশের সন্ন্যাসীরা ভারতে এসে এক ছাদের তলায় রাত কাটাবেন ও একসঙ্গে সনাতন ধর্মের রীতি মেনে যজ্ঞে সামিল হবেন।
ইউক্রেন ও রাশিয়ায় যুদ্ধে ইতি টানতে মহাকুম্ভ থেকে প্রার্থনা করা হবে। তার থেকেও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে যজ্ঞটি হবে একজন মহিলা সন্ন্যাসীর পৌরহিত্যে। জাপান থেকে ভারতে আসছেন মহিলা সন্ন্যাসী স্বামী কেলা মাতা। মহাকুম্ভে অংশ নিয়ে শিবশক্তি যজ্ঞের যাবতীয় রীতিনীতির তত্ত্বাবধান করবেন তিনি। মহাকুম্ভে ইতিমধ্যেই এসে পৌঁছেছেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের দুই সন্ন্যাসী।
রাশিয়া থেকে মহিলা সন্ন্যাসী আনন্দ লীলা গিরি ও ইউক্রেনের সন্ন্যাসী এলিয়া এসে পৌঁছেছেন মহাকুম্ভ মেলায়। একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ঘুরে ভারত থেকেই শান্তির বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছেন তাঁরা। খাপ্পার বাবা আরও বলেন, "যখনও কেউ সন্ন্যাস গ্রহণ করেন, তাঁর কাছে অতীতের কোনও গুরুত্ব থাকে না। গোটা বিশ্ব তাদের হাতের মুঠোয় চলে আসে। এই দুই মহিলা সন্ন্যাসীও তার প্রকৃত উদাহরণ।"
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে ইউক্রেন ও রাশিয়া। প্রথম থেকেই কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত মিটিয়ে নিতে দুই দেশকে অনুরোধ করেছে ভারত। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতেও সেকথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এবার বিশ্বশান্তি আনয়নে মহাযজ্ঞ হতে চলেছে মহাকুম্ভে।












Click it and Unblock the Notifications