Mahakumbh 2025: কুম্ভ মেলার সুব্যবস্থা এবং জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম
মহাকুম্ভ মেলা ২০২৫(Mahakumbh Mela 2025) ভারতে শুরু হয় লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগমের মধ্য দিয়ে। প্রথম দিনই ভক্তের সংখ্যা লক্ষ ছাড়িয়ে কোটিতে পা রেখেছিল। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মহাকুম্ভ মেলা, এখন শুধু দেশের মধ্যে নয়, বিশ্বের দরবারেও ভীষণ চর্চিত বিষয়। কেননা বহু দেশ থেকে বিদেশী ভক্তরা এসেছেন উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে, মহাকুম্ভের আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। প্রভু জ্ঞানে মত্ত বহু বিদেশী সন্ন্যাসী। আর এই সবই যেন নতুন মাত্রা যোগ করছে মহাকুম্ভ মেলায়।
সাধারণত কুম্ভ মেলা প্রতি ১২ বছর অন্তর অন্তর আসে। এটি হিন্দু সংস্কৃতিতে একটি বিরল উপলক্ষ হিসেবে চর্চিত। এই বছরটি আরও বিশেষ কারণ যেমন ১২ বছর পর হচ্ছে কুম্ভ মেলা, ঠিক তেমনিই ১৪৪ বছর পর হচ্ছে মহাকুম্ভ মেলা। মেগা-ধর্মীয় ইভেন্টটি তার জাঁকজমক এবং এর ব্যবস্থাপনার জন্যে আন্তর্জাতিক মিডিয়া থেকেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সংবাদ সংস্থা 'দ্য গার্ডিয়ান' একে 'উৎসবের উৎসব' বলে অভিহিত করেছে। কারণ তাঁদের মতে, "এতে সাধু বা পবিত্র পুরুষ, তপস্বী, তীর্থযাত্রী এবং পর্যটকদের একটি প্রাণবন্ত মিশ্রণ উপস্থিত লক্ষ্য করা যায়"।
মহাকুম্ভ মেলার বিষয়ে CNN তার প্রতিবেদনে মহাকুম্ভ মেলার যে পরিমাণে আয়োজন করা হয়েছে তার বর্ণনা করেছে। "প্রায় ১,৬০,০০০ তাঁবু, ১,৫০,০০০ টয়লেট এবং একটি ৭৭৬ মাইল (১২৪৯-কিলোমিটার) পানীয় জলের পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে৷ ৪০০০ হেক্টর কভার করা হয়েছে। দেখে মনে হবে যেন মোটামুটি ৭,৫০০টি ফুটবল মাঠকে একসাথে কভার করা হয়েছে"।
ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (BBC) পৌরাণিক কাহিনী উল্লেখ করেছে যা মহাকুম্ভ মেলার উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। BBC-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "সাগর মন্থনের সময় আবির্ভূত অমৃতের একটি 'কুম্ভ' নিয়ে দেবতা ও অসুরদের মধ্যে লড়াইয়ের একটি পৌরাণিক কাহিনীতে এর উত্স নিহিত রয়েছে। এই ইতিহাসকে ঘিরেই হয়ে চলেছে কুম্ভ মেলা"।
নিউইয়র্ক টাইমস মহাকুম্ভকে 'অত্যাশ্চর্য' বলে অভিহিত করেছে। তাঁদের মতে, "এই বছর, শহরটি, যা ৬ মিলিয়ন বাসিন্দার আবাসস্থল, তারা ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন লোককে আতিথ্য করার জন্য প্রস্তুত হয়েছে"।
এই ভাবে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম গুলি প্রশংসায় ভরিয়েছে যোগী সরকারের আয়োজিত মহাকুম্ভ মেলার দরবারকে।












Click it and Unblock the Notifications