মধ্যপ্রদেশে আস্থাভোট: 'কমল' চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি আজ বিজেপি-কংগ্রেস
একদিকে কংগ্রেসের কমল নাথ শিবির অন্যদিকে বিজপির 'কমল' শিবির। কমল নাথ বনাম গেরুয়া 'কমল' যুদ্ধে আজ জমজমাট পরিস্থিতি মধ্যপ্রদেশে। গত ৯ মার্চ থেকে 'হিন্দুস্তান কি দিল' মধ্যপ্রদেশে চলা রাজনৈতিক সংকট সম্ভবত আজ কাটতে পারে আসন্ন আস্থাভোটের ফলাফলে।

কংগ্রেসের আকাশে অশনি সংকেত!
কংগ্রেস থেকে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বেরিয়ে যেতেই দলের ২২ জন বিধায়ক ইস্তফা দেন। ফলে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের ভারী পাল্লা হালকা হতে শুরু করে। ইস্তফা যদিও প্রথমে গ্রহণ করেননি স্পিকার। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের চাপ তিনি এড়াতে পারেননি। শেষমেশ কংগ্রেসের ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়কের ইস্তফা গৃহিত হয় মধ্যপ্রদেশে। আর এর জেরেই এদিন আস্থা ভোটের আগে মসনদ হারানোর উদ্বেগে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস শিবির।

ভোট গণিত
২২ জন বিধায়ক কংগ্রেস থেকে হাত ছাড়ার পর মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার মোট সংখ্যা আপাতত ২০৬। এমন পরিস্থিতিতে ১০৫ জন বিধায়ক যাঁর শিবিরে, তিনিই সরকার গঠন করবেন। কংগ্রেসের পক্ষে ৯২ জন রয়েছেন। এঁদের মধ্যে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বিধায়করাও রয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপি ইতিমধ্যেই ১০৭ জন বিধায়ক নিয়ে মধ্যপ্রদেশে শাসকদলের মসনদের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

আস্থাভোট নিয়ে 'সুপ্রিম' রায়
মধ্যপ্রদেশে আস্থাভোট নিয়ে বিজেপি এর আগেই দরবার করেছিল সুপ্রিম কোর্টে। আর তার প্রেক্ষিতেই কংগ্রেস সরকারকে বড়সড় ধাক্কা দিয়ে ২০ মার্চ মধ্যপ্রদেশে আস্থাভোট সংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রাজনৈতিক মহলের ধারণা এই আস্থাভোটের অনুমতি পেয়ে কংগ্রেসকে চূড়ান্ত ছোবল মারতে চলেছে বিজেপি।

জ্যোতিরাদিত্য ও মধ্যপ্রদেশ পরিস্থিতি
জাতীয় রাজনীতিতে সাড়া ফেলে দিয়ে মধ্যপ্রদেশের তরুণ তুর্কী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। যার নেপথ্যে ছিল কমল বনাম জ্যোতি সংঘাত। এরপরই কংগ্রেস ছাড়েন সেরাজ্যের ২২ জন বিধায়ক। আর বিজেপি সরকার গড়ার পথে মাইলেজ পেয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে মধ্যপ্রদেশে আস্থাভোট নিয়ে টালবাহানা শুরু হয়। স্পিকার সম. চেয়ে নেন। যা নস্যাৎ করে সুপ্রিম কোর্ট। আর এবা ২০ মার্চ মধ্যপ্রদেশে বিকেল ৫ টার মধ্যে আস্থা ভোচ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।












Click it and Unblock the Notifications