পড়ে রইল ৩ বছরের মেয়ে ও বিপুল সম্পত্তি, সন্ন্যাসের পথে চললেন দম্পতি
বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ও তিন বছরের একমাত্র কন্যাকে ছেড়ে এবার সন্ন্যাসের পথে হাঁটতে চলেছেন মধ্যপ্রদেশের এক জৈন দম্পতি, তিন বছরের কন্যাকে দাদু- দিদিমার দায়িত্বে রেখে সন্ন্যাসগ্রহণ করবেন তাঁরা।
বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ও তিন বছরের একমাত্র কন্যাকে ছেড়ে এবার সন্ন্যাসের পথে হাঁটতে চলেছেন মধ্যপ্রদেশের এক জৈন দম্পতি। আগামী সপ্তাহেই জৈন ধর্মের শ্বেতাম্বর রীতি মেনে দীক্ষা নিয়ে ঘর ছাড়বেন উচ্চশিক্ষিত এই দম্পতি। তিন বছরের কন্যাকে দাদু- দিদিমার দায়িত্বে রেখে সন্ন্যাসগ্রহণ করবেন তাঁরা।

৩৫ বছরের সুমিত রাঠোড় মধ্যপ্রদেশের নীমচে পারিবারিক ব্যবসা দেখেন। এই ব্যবসা থেকেই ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি করে ফেলেছেন তিনি। তাঁর স্ত্রী অনামিকা পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। বিয়ের আগে পর্যন্ত হিন্দুস্তান জিঙ্ক লিমিটেড নামে একটি বড় খনন সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। গত মাসেই সুমিত সন্ন্যাসগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এবিষয়ে স্ত্রী অনামিকার কাছে অনুমতি চাইতে গেলে তিনিও স্বামীর পথে হেঁটে দীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এবিষয়ে সুমিত ও অনামিকার পরিবারও আপত্তি জানায়নি বলেই জানিয়েছে।
আগামী ২৩শে সেপ্টেম্বর গুজরাটের সুরাতে জৈন ধর্মগুরু সুধামার্গী জৈন আচার্য রামলাল মহারাজের একটি অনুষ্ঠানে দীক্ষা নিয়ে সন্ন্যাস গ্রহণ করবে এই দম্পতি। সেই অনুষ্ঠানে মাথা মুড়িয়ে শ্বেতবস্ত্র ধারন করে মুখে সাদা কাপড় বেঁধে রাখতে হবে তাঁদের। পরিবারের মায়া কাটাতে এখন থেকেই বাড়ির লোকের সঙ্গে কথাবার্তা বন্ধ করে দিয়েছে এই দম্পতি। তবে তাদের তিন বছরের কন্যার দায়িত্ব নিচ্ছেন অনামিকার বাবা অশোক চান্ডালিয়া।
অবশ্য রাঠোড় দম্পতির এই সিদ্ধান্ত একেবারেই মানতে পারছেন এলাকার শিশু সুরক্ষা ম্যানেজার রাঘবেন্দ্র শর্মা। তাঁর মতে নিজেদের জীবন নিয়ে তাঁরা যা কিছু করতে পারেন কিন্তু একটি শিশুকে মা- বাবার থেকে বঞ্চিত তাঁরা করতে পারেন না। রাঠোড় দম্পতি নিজেদের দায়িত্ব থেকে পালাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তাঁরা। মধ্যপ্রদেশে শিশু সুরক্ষা কমিশনকে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে আবেদন জানাবেন বলে জানিয়েছেন রাঘবেন্দ্র রাঠোড়।












Click it and Unblock the Notifications