গোয়া নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের পাঁচ দিন পরেই থাইল্যান্ডে ধরা পড়লেন লুথরা ভাইরা! ভারতে ফেরাতে তৎপর গোয়া পুলিশ
গোয়ার আরপোড়ার 'বার্চ বাই রোমিও লেন' ক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু, আর তার পর থেকেই পলাতক ক্লাবের মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা। আগুনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ইন্ডিগোর বিমানে চুপিসারে থাইল্যান্ড উড়ে গিয়েছিলেন দুই ভাই। অবশেষে ফুকেটে তাঁদের আটক করেছে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়া পুলিশ জানতে পারে, ডিসেম্বরের ৭ তারিখ রাত ১টা ১৭ মিনিটে টিকিট কাটেন লুথরা ভাইরা তখনও দমকল কর্মীরা ক্লাবে আগুন নেভানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সন্দেহ বাড়তেই জারি হয় লুক আউট সার্কুলার ও ইন্টারপোল ব্লু নোটিস।

সূত্রের খবর, গোয়া পুলিশের একটি দল শীঘ্রই থাইল্যান্ডে রওনা দেবে দুই ভাইকে ভারত ফিরিয়ে আনার জন্য।ভারতে ফেরার চাপ বাড়তেই দিল্লির রোহিণী আদালতে আগাম জামিন চান সৌরভ ও গৌরব। তাঁদের দাবি, গোয়া ক্লাবের দৈনন্দিন কাজ তাঁরা দেখতেন না ও তাঁদের বিরুদ্ধে সরকারি সংস্থাগুলি "প্রতিহিংসামূলক মনোভাব" নিয়েছে। থাইল্যান্ড যাত্রা যে পালানো নয়, বরং পূর্ব নির্ধারিত ব্যবসায়িক বৈঠক তাও দাবি করেন তাঁরা।
দ্বিতীয় ক্লাবও বেআইনি! নির্দেশে ভাঙা হলো ঝুপড়া শ্যাক
লুথরা ভাইদের আরেকটি ক্লাব।সমুদ্রতীরবর্তী একটি শ্যাক বেআইনিভাবে নির্মিত ও বিপজ্জনক বলে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ মাধব। ইতিমধ্যেই তা ভেঙে ফেলা হয়েছে।
গোয়া পুলিশের এফআইআর বলছে কোনও অগ্নিনির্বাপন ব্যাবস্থা নেই, অ্যালার্ম নেই, নেই দমকল নিরাপত্তার সরঞ্জাম।
ফায়ার অডিটের নথি পর্যন্ত নেই,
এমনকি আগুন লাগার রাতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ও ইভেন্ট অর্গানাইজাররা 'ফায়ার অ্যাক্ট' করছিলেন যা যে বিপজ্জনক হতে পারে, তা জানার পরও যথেষ্ট সাবধানতা নেননি কেউই। কোনও জরুরি নির্গমন পথ না থাকায় বহু মানুষ আগুনের মধ্যে আটকে পড়েন।
লুথরা ভাইদের ধরতে তৎপর গোয়া সরকার। মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ মাধব স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন "নিরাপত্তা বিধি মানো, নইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মঙ্গলবার দিল্লীতে গ্রেপ্তার হন ক্লাবের সহ মালিক অজয় গুপ্তা। যদিও তাঁর দাবি, তিনি কেবল 'স্লিপিং পার্টনার', ঘটনাস্থলের অব্যবস্থার কথা তিনি জানতেন না।












Click it and Unblock the Notifications