লুধিয়ানা বিস্ফোরণে একের পর এক জঙ্গি যোগ! কী জানালেন পাঞ্জাবের ডিজিপি
লুধিয়ানা বিস্ফোরণে একের পর এক জঙ্গি যোগ! কী জানালেন পাঞ্জাবের ডিজিপি
লুধিয়ানা বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এই ঘটনায় এখবনও পর্যন্ত খালিস্তানি জঙ্গিদের যোগ পাওয়া গিয়েছে। পাঞ্জাবের ডিজিপি সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিেয়ছেন, লুধিয়ানা বিস্ফোরণের ঘটনায় একাধিক ফ্যাক্টর কাজ করছে, তার মধ্যে একদিকে যেমন রয়েছে খালিস্তানি জঙ্গি যোগ, তেমন রয়েছে গ্যাংস্টার এবং মাদক পাচারের যোগ।

খালিস্তানি জঙ্গি যোগ
পুরভোটের আগেই লুধিয়ানায় আদালতের মধ্যে বিস্ফোরণ। তাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। ভোটের মুখে এই ধরনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাঞ্জাবে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে আরডিএস্কের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনএসজি। কাজেই এটা যে সাধারণ কোনও ঘটনা বা বিস্ফোরণ নয় তা বুঝতে পেরেছে পাঞ্জাব পুলিশ। গত কয়েকদিন ধরেই পাঞ্জাবে একের পর এক বিতর্কিত ঘটনা ঘটে চলেছে। বিধানসভা ভোটকে টার্গেট করেই সেই সব ঘটানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

খালিস্তানি জঙ্গি যোগ
গোয়েন্দারা তদন্ত করে জানতে পেরেছেন পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় আদালতে বিস্ফোরণের ঘটনায় খালিস্তানি জঙ্গি যোগ রয়েছে। পাক মদতপুষ্ট খালিস্তানি জঙ্গিরাই এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এই বিস্ফোরণের জন্য খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দিয়্ছে। পাকিস্তান এবার খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে পাঞ্জাবকে অশান্ত করে তোলার। পাকিস্তানি জঙ্গিরা নানা ভাবে তাই পাঞ্জাবে নাশকতার ছক কষছে। গোয়েন্দারা তদন্ত করে এই নিয়ে পাঞ্জাব সরকারকে সতর্ক করেছে।

কী বলছেন ডিজিপি
পাঞ্জাবের ডিজিপি সাংবাদিক বৈঠক করে পাঞ্জাবের বিস্ফোরণের ঘটনার েনপথ্যে কারা রয়েছেন তা নিয়ে একাধিক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছেন। ডিজিপি সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন লুধিয়ানার আদালতে বিস্ফোরণের ঘটনায় একাধিক ফ্যাক্টর কাজ করেছে। তারমধ্যে রয়েছে খালিস্তানি জঙ্গি, গ্যাংস্টার, মাদক পাচার। পাঞ্জাবে মাদক পাচার চক্র চলে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় তদন্ত করে একাধিক প্লট খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা। একাধিক সিমকার্ড, মোবাইল নম্বর, ট্যাটু সহ একাধি সূত্র খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা।

মৃত্যু হয়েছে কাদের
এনএসজি তদন্ত করে জানতে পেরেছে যে আদালতের মধ্যে বিস্ফোরক রেখেছিল মৃতদের মধ্যে একজন সে। গগণদ্বীপ নামে এক পুলিশকর্মী মারা গিয়েছেন। গগণদীপের মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের সময় ফেটে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। তবে তিনি ডঙ্গলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করছিলেন মোবাইলে। সেকারণেই তদন্তকারীরা অনুমান করছে বাইরের কারোর কাছ থেকে বোমা তৈরি করা এবং বোমা রাখার পদ্ধতি জানতে পেরেছিল। এই গগণদীপকে নিয়েই খোঁজ খবর শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই বিস্ফোরণের নেপথ্যের কারিগরদের খোঁজ করতে চলেছে তারা।












Click it and Unblock the Notifications