কাশ্মীর থেকে আন্দামানের দায়িত্ব সামলেছেন! সেনাপ্রধান পদে এবার সেই জেনারেল মনোজ পাণ্ডে
ভারতের নয়া সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত হলেন আর্মি ভাইস লেফট্যানেন্ট জেনারেল মনোজ পান্ডে। মনে করা হচ্ছে এমএম নারাভানে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ পদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাই সেনাপ্রধান পদে নিযুক্ত হচ্ছে ভারতীয় সেনার নতুন অফিসার।
ভারতের নয়া সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত হলেন আর্মি ভাইস লেফট্যানেন্ট জেনারেল মনোজ পান্ডে। মনে করা হচ্ছে এমএম নারাভানে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ পদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাই সেনাপ্রধান পদে নিযুক্ত হচ্ছে ভারতীয় সেনার নতুন অফিসার। চলতি মাসের শেষেই নারাভানের অবসর নেওয়ার কথা।

জেনারেল নারাভানের পর ভারতীয় সেনায় সবথেকে উচ্চপদস্থ আধিকারিক হলেন জেনারেল মনোজ পান্ডে। সেই কারণেই তাঁকে এই পদের জন্য বেছে নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক অবসর নিয়েছেন। পদে নিযুক্ত হলে জেনারেল মনোজ পান্ডে হবেন দেশে প্রথম সেনাপ্রধান যিনি কর্পস অফ ইঞ্জিনিয়ারস-এ ছিলেন।
সেনাপ্রধান হিসেবে এমএম নারাভানের ২৮ মাসের মেয়াাদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩০ এপ্রিল। সম্ভবত তারপরই দায়িত্ব নিতে চলেছে জেনারেল মনোজ পান্ডে। সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন সেনাপ্রধান হিসেনে জেনারেল মনোজ পান্ডের নাম ঘোষণা করা হচ্ছে।
ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্য়াকাডেমির প্রাক্তনী জেনারেল মনোজ পান্ডে ১৯৮২ তে কর্পস অফ ইঞ্জিনিয়ারসে যোগ দিয়েছিলেন। কাশ্মীর সীমান্তে পালানওয়ালা সেক্টরে অপারেশন পরাক্রম চলাকালীন লেফট্যানেন্ট জেনারেল মনোজ পান্ডে ইঞ্জিনিয়ার রেজিমেন্টের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
২০০১ সালে সংসদে জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এই অপারেশন পরাক্রম চালানো হয়েছিল। দেশের পশ্চিম সীমান্তে প্রচুর সেনা ও অস্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সময়। সংসদে হামলার পর প্রায় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ লেগে যেতে বসেছিল, সেই সময় ওই গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জেনারেল মনোজ পান্ডে।
সেনাকর্তা হিসেবে ৩৯ বছর একটানা দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ওয়েস্টার্ন থিয়েটারের কমান্ড করেছিলেন তিনি। লাদাখের মাউন্টেন ডিভিশনের পাশাপাশি লাইন অফ কন্ট্রোলে ইনফ্য়ান্ট্রি ব্রিগেডেরও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। উত্তর-পূর্বেও কর্তব্যরত ছিলেন একসময়। আন্দামান অ্যান্ড নিকোবর কমান্ডের কমান্ডার-ইন-চিফও ছিলেন।
অন্যদিকে বলে রাখা প্রয়োজন ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় দেশের প্রথম সিডিএস বিপিন রাওয়াতের। এরপর থেকে এই পদটি ফাঁকা অবস্থাতেই রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সিডিএস হিসাবে কাকে সরকার দায়িত্ব দেবে তা নিয়ে একাধিকবার জল্পনা তৈরি হয়। এমনকি দেশের দ্বিতীয় সিডিএস হিসাবে কাজে যোগ দিতে পারেন এমএম নারাভানে। এমনটাও জল্পনাও ছিল।
এবার সেনাপ্রধানের পদ থেকে অবসর নেওয়ার পরেই তিনবাহিনীর গুরু দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই উঠতে পারে বলে জোর জল্পনা। যদিও এই বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে কিছুই জানানো হয়নি। ফলে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর সবপক্ষের।












Click it and Unblock the Notifications