ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যে খানিক শান্তি, স্বস্তি ফেরাচ্ছে দেশের করোনা গ্রাফ
নভেম্বরে নিম্নমুখী করোনাগ্রাফ
ওমিক্রন নিয়ে এই মুহূর্তে তোলপাড় গোটা বিশ্ব। দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার এই নতুন প্রজাতির খোঁজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃতীয় ঢেউয়ের চোখ রাঙানি বাড়ছে দুনিয়া জুড়ে। এরইমধ্যে ভারতেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট। তবে ভয়ের মধ্যেই অভয় দিচ্ছে সদ্য পেরোনো নভেম্বেরের করোনা গ্রাফ।

কি বলছে দেশের পরিসংখ্যান?
বিগত প্রায় ২ বছর ধরে যে করোনার ভয়ে কার্যত শিকেয় উঠেছিল ভারতের স্বাভাবিক জনজীবন, ধীরে ধীরে কমছে সেই আতঙ্ক। পুরনো ছন্দে ফিরছে আমাদের দেশ। ২০২১ সালে মাসিক সংক্রমণ হারের নিরিখে এই মারণ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা নভেম্বর মাসে ছিল সবচেয়ে কম। চলতি বছরের মে-জুন মাসে সর্বচ্চ শিখরে পৌঁছয় দেশের সংক্রমণ হার। প্রতিদিন রেকর্ড ভেঙে সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছিল কোটিতে। করোনাকালে এখনও পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের পরিমান প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ ২৮ হাজার জন।

নভেম্বরের পরিসংখ্যান
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত মাসে গড়ে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছন ৮৬৭৭ জন। যারমধ্যে অ্যাক্টিভ কেসের পরিমান হ্রাস হয়েছে প্রায় ২২ শতাংশ। বিগত ৫৪৭ দিন পরে সক্রিয় মামলার সংখ্যা এক লাখের নিচে নেমে গিয়েছে। যা নিঃসন্দেহে স্বস্তি ফিরিয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের।
নতুন করে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ৫৪ দিন ধরে ২০ হাজারের নিচে। এবং একটানা ১৫৬ দিন ৫০ হাজারের নিচে রয়েছে। সক্রিয় রোগীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমেছে মৃত্যু সংখ্যাও। প্রায় ৫৪৪ দিন পরে দেশে সর্বনিম্ন অ্যাক্টিভ রোগীর রেকর্ড ছুঁয়েছে নভেম্বর মাসে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানিয়েছেন, বিশ্বের ১৪ টি দেশে এই নয়া করোনা ভেরিয়েন্ট থাবা বিস্তার করলেও ভারতে এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার খবর নেই। পাশাপাশি তিনি জানান, করোনা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছে ভারত। সার্বিক টিকাকরণকে হাতিয়ার করে এগোচ্ছে দেশ। সুস্থ্যতার হার প্রায় ৯৮ শতাংশ, যা নিঃসন্দেহে ভাল খবর। এরই সঙ্গে মাণ্ডব্য জানিয়েছেন, দেশে ১২৪ কোটি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। তবে আগামী দিনে ওমিক্রন ঠেকাতে সব রকম ব্যবস্থা করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।












Click it and Unblock the Notifications