Loksabha Vote 2024: সন্দেশখালি কাণ্ডে টনক নড়ল কমিশনের? নবান্নে পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের সেই চিঠি
লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শোনা যাচ্ছিল যে ৯ মার্চ নাকি লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে দেওয়া হবে। সেই জল্পনা সত্যি হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে স্পর্শ কাতর বুথ নিয়ে তথ্য জানতে চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে দিল্লি নির্বাচন কমিশন।
অর্থাৎ রাজ্যে কতগুলি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। সেগুলির পরিস্থিতি কি। এইসব একাধিক তথ্য তলব করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কারণ এই স্পর্শকাতর বুথের উপরেই নির্ভর করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ব্যবস্থাপনা। প্রতিবারই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিবাদ তৈরি হয়। এবার তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে কমিশন।

রাজ্যে স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা এবার বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ সন্দেশখালিতে যেভাবে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাতে এবার সন্দেশকালিকেও স্পর্শকাতর বুথের মধ্যে ফেলতে পারে কমিশন। অন্যদিকে কলকাতা এবং জেলায় তো একাধিক স্পর্শ কাতর বুথ আগে থেকেই ছিল। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের শীতলকুচি, চোপড়া সহ একাধিক কেন্দ্র আগে থেকেই স্পর্শকারত এলাকা বলে চিহ্নিত ছিল।
এবার এই তালিকায় নবতম সংযোজন হতে চলেছে সন্দেশখালি। প্রাথমিক ভাবে এমনটাই মনে করা হচ্ছে। এছাড়া কলকাতার কাছে ভাঙড় তো ছিল বরাবরই স্পর্শকাতর এলাকা। হাওড়ার একাধিক বুথও স্পর্শকাতর এলাকার মধ্যে পড়ে। আবার মুর্শিদাবাদের একাধিক বুথও রয়েছে। এই স্পর্শকাতর বুথের উপর নির্ভর করেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানো কমানো হয়।
রাজ্যের যে পরিস্থিতি তাতে বিরোধীরা অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে ভোটের দফা বাড়ানোর আর্জিও জানাতে পারে বঙ্গ বিজেপি। সন্দেশখালি নিয়ে যেভাবে উত্তেজনার পারদ চড়ছে তাতে চিন্তা ভাবনা করে আগে থেকেই খোঁজ খবর করতে শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিছুতেই তারা কোনও রকম অশান্তির আবহে িনর্বাচন করাতে নারাজ।
বিধানসভা িনর্বাচনে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে তুমুল তরজা তৈরি হয়েছিল। এমনকী পঞ্চায়েত ভোট নিয়েও তুঙ্গে উঠেছিল পরিস্থিতি। আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। আদালতে ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। বিধানসভা িনর্বাচনেও উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শীতলকুচি। সেই সব তথ্য খতিয়ে দেখেই আগে থেকে তৎপর হয়ে উঠেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।












Click it and Unblock the Notifications