Highest Winning Margin: ইন্দোরের শঙ্কর ১০ লক্ষাধিক ভোটে জিতে গড়লেন রেকর্ড, অমিত শাহ পিছনে ফেললেন অভিষেককে
Highest Winning Margin: লোকসভা নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও প্রার্থী ১০ লক্ষের বেশি ভোটে জিতলেন। সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড এদিন ভাঙল বেশ কয়েকবার।
২০১৪ সালের লোকসভা উপনির্বাচনে মহারাষ্ট্রের বিদে ৬ লক্ষ ৯৬ হাজার ভোটে জিতেছিলেন প্রীতম মুণ্ডে। সেই রেকর্ড এদিন ভেঙে গেল।

পশ্চিমবঙ্গে ২০০৪ সালের লোকসভা ভোটে আরামবাগ থেকে সিপিআইএমের অনিল বসু জিতেছিলেন ৫ লক্ষ ৯২ হাজারের বেশি ভোটে। সেই নজির এদিন ছাপিয়ে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৯৩০ ভোটে জিতেছেন।
অভিষেক ওই লোকসভা আসনে ৬৮.৪৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ভারতের নিরিখে অভিষেকের রেকর্ডের কথা উল্লেখ করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাকে পাত্তা না দিয়ে শুভেন্দু স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ২০০৪ সালে সিপিআইএমের রেকর্ড ভোটে জেতার পর ২০১৪-এ আরামবাগেই বামেদের পরাজয়ের ঘটনার কথা।
অভিষেকের রেকর্ড অবশ্য ভাঙতে সময় লাগেনি বিজেপির। গুজরাতের গান্ধিনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে অমিত শাহ এবার জিতেছেন ৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭১৬ ভোটে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি পেয়েছে ৭৬.৪৮ শতাংশ ভোট। কংগ্রেসের ঝুলিতে ২০.১৪ শতাংশ।
তবে সকলকেই ছাপিয়ে গিয়েছেন ইন্দোরের বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর লালওয়ানি। কংগ্রেস প্রার্থী বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় এই আসনে নোটায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল কংগ্রেস। কংগ্রেস পরিবর্ত প্রার্থী দেওয়ার সময় পায়নি। ফলে নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল শঙ্করের জয়।
দেশের লোকসভা নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী নোটায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়লেও জয়ী ঘোষণা করা হয় ভোট প্রাপ্তির নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে প্রার্থীকে। এখানে অবশ্য বিজেপিকে সেই পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি। শঙ্কর ভোট পেয়েছেন ১২,২৬,৭৫১, যা ৭৮.৫৪ শতাংশ। নোটায় ভোট পড়েছে ২,১৮,৩৫৫, অর্থাৎ ১৪ শতাংশ। এই আসনে নোটা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। সঞ্জয়ের জয়ের মার্জিন ১০ লক্ষ ৮ হাজার ৭৭।












Click it and Unblock the Notifications