‘ব্রাহ্মণরা জন্ম-গুণে সমাজে উচ্চ-সম্মানিত’, স্পিকার ওম বিড়লার এই বর্ণবাদের কঠোর সমালোচনা
ব্রাহ্মণরা উৎসর্গ, ত্যাগ এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের দিকনির্দেশনার কারণে জন্মগতভাবে সম্মানিত হয়। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সম্প্রতি অখিল ব্রাহ্মণ মহাসভায় এ কথা বলেন।
ব্রাহ্মণরা উৎসর্গ, ত্যাগ এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের দিকনির্দেশনার কারণে জন্মগতভাবে সম্মানিত হয়। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সম্প্রতি অখিল ব্রাহ্মণ মহাসভায় এ কথা বলেন। তিনি ব্রাহ্মণ সমাজের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে জানান, এটা এমন একটা সম্প্রদায় যাঁরা সর্বদা অন্যান্য সমস্ত সম্প্রদায়কে পরিচালনা করে। জাতির মধ্যে গাইডের ভূমিকা পালন করে।

তিনি আরও বলেন, ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সর্বদা সমাজে শিক্ষা এবং মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এসেছে। আজও যদি একটা ব্রাহ্মণ পরিবার একটা গোটা গ্রামে বাস করে, যদি সে কুটিরেও থাকে, তবে ওই ব্রাহ্মণ পরিবার তার উৎসর্গ এবং সেবার কারণে সর্বদা উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হয়। সুতরাং, একথা বলা যেতেই পারে ব্রাহ্মণরা তাদের জন্মের গুণে সমাজে উচ্চ সম্মানিত হয়।
ওম বিড়লা ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের প্রশংসাসূচক একটি টুইটও করেছেন এবং তা ফেসবুকেও আপডেটও করেছেন। তাঁর টুইটার বিবৃতিটি স্বল্প সময়ের মধ্যেই অনেক লাইক পায়। কেউ কেউ আবার ট্রোলও করে। কয়েকজন নিন্দা করে জানান, স্পিকার হিসাবে তাঁর অবস্থানের কথা ভেবে মন্তব্য করা উচিত। স্পিকার পদটি উচ্চসম্মানের, ফলে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যাতে তিনি সমালোচিত হন।
রাজস্থানের পিপলস ইউনিয়ন ফর সিভিল লিবার্টিজের সভাপতি কবিতা শ্রীবাস্তব স্পিকারের এই বক্তব্যের নিন্দা করেছেন এবং তাঁর কথাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন যে, একটি সম্প্রদায়ের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা বা অন্য সম্প্রদায়ের উপরে একটি সম্প্রদায়কে ঘোষণা করা সংবিধানের ১৪ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।
তাঁর মতে, স্পিকারের উচিত অন্য বর্ণকেও সম্মান করা এবং বর্ণবাদের প্রচার করে তিনি তা লঙ্ঘিত করেছেন। শ্রীবাস্তব এও ঘোষণা করেন যে, পিইউসিএলের তরফে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে স্পিকার ওম বিরলার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাবেন।












Click it and Unblock the Notifications