সপ্তাহান্তে চরম দুর্ভোগে নিত্যযাত্রীরা, জনসমুদ্র শিয়ালদহ স্টেশন, ট্রেন নিয়ে কী বার্তা রেলের
শিয়ালদহ ট্রেন পরিষেবা বিপর্যস্ত। গোটা স্টেশনে থিকথিক করছে যাত্রীদের ভিড়। এক থেকে ৫ লম্বর প্লাটফর্ম আগামীকাল দুপুর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে আগেই জানানো হয়েছিল রেলের তরফে। সেই সঙ্গে একাধিক ট্রেনে যাত্রাপথও সংক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মোটের উপর সামাল দেওয়া গেলেও শনিবার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে শিয়ালদহ স্টেশনে। বেলা যত গড়িয়েছে তত অফিস ফেরতা যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। কোথাও কোনও ট্রেনের খবর নেই। এনকয়ারিতে গেলে কী পরিস্থিতি জানা যাচ্ছে না । নেই কোনও অ্যানাউন্সমেন্ট। এমনই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছে সাধারণ যাত্রীদের।

গতকাল থেকেই শিয়ালদের এক থেকে ৫ নম্বর লাইনে কাজ হওয়া কারণে ট্রেন বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছিল। সেকারণে গতকাল সকাল থেকেই ১ থেকে ৫ নম্বর লাইনে ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হয়। গতকাল দমদম এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন পর্যন্ত বেশ কিছু ট্রেন চলাচল করেছে। কিন্তু শনিবার সকাল থেকে একেবারে চরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
শনিবার হওয়ায় অনেকেই আজ বাড়ি ফিরবেন। সেকারণে দুপুরের পর থেকেই ট্রেনের জন্য শিয়ালদহ স্টেশনে ভিড় করতে থাকেন যাত্রীরা। গতকাল ভিড়ের চাপে ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে একজন মারা গিয়েছেন। আজও যে কয়েকটি ট্রেন চলাচল করছে সেগুলিতে বাদুড় ঝোলা ভিড়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে চড়ছেন যাত্রীরা। কোথাও কোনও ট্রেনের খবর পাচ্ছেন না যাত্রীরা। গোটা শিয়ালদহ স্টেশন ভিড়ে ঠাসা। থিক থিক করছে ভিড়।
প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ট্রেন না পেেয় একেবারে নাজেহাল পরিস্থিতি। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ কলকাতা শহরে কর্মসূত্রে আসেন। অনেকেই হাসপাতালে আসেন চিকিৎসা করাতে। এছাড়াও আরও অনেক প্রয়োজনে আসেন অসংখ্য মানুষ। কিন্তু গতকাল থেকে ট্রেন নিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে রেলযাত্রীদের। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগেই এই কাজের কথা জানানো হয়েছিল।
যাত্রীদের সুবিধার জন্য ১২ বগির ট্রেন যাতে সব প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াতে পারে সেকারণে তাঁদের এই কাজ করতেই হতো। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রাতেও এই সম্প্রসারণের কাজ করা যেত। যাত্রীদের নাজেহাল করে এটা না করলেও হতো। যাত্রীদের এই চরম দুর্ভোগের জন্য রেলকেই দায়ী করেছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications