অশান্ত মণিপুরে চুরি চার হাজার অস্ত্র! মায়ানমারে জঙ্গিদের কাছে তা গিয়েছে বলে শঙ্কা
দিনের পর দিন কেটে গেলেও এখনও অশান্ত মণিপুর! পরিস্থিতি সামলাতে ইতিমধ্যে নামানো হয়েছে সেনাবাহিনীকে। পরিস্থিতি শান্ত করতে ইতিমধ্যে মণিপুর পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর এর মধ্যেই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
হাজার হাজার অস্ত্র মণিপুর থেকে লুঠ করা হয়েছে বলে আশঙ্কা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। শুধু তাই নয়, চুরি যাওয়া অস্ত্রের বড় একটা অংশ মায়ানমারে জঙ্গিদের হাতে পৌঁছে গিয়েছে বলেও আশঙ্কা গোয়েন্দাদের। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা অন্তত ৪ হাজার অস্ত্র লুঠ হয়ে গিয়েছে।

তবে গোলা-বারুদ কত কি খোয়া গিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয় বলেই জানা গিয়েছে। গত কয়েকদিনে একাধিক গোডাউন, বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর অস্ত্রাগার এবং রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন অস্ত্রাগারে এই লুটের ঘটনা ঘটে। তবে পুরো বিষয়টি এই মুহূর্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
এক সংবাদমাধ্যমকে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লুঠ হয়ে যাওয়া অস্ত্রের মধ্যে একে সিরিজের অত্যাধুনিক বন্দুক, এম১৬ রাইফেল, অত্যাধুনিক মেশিন গান রয়েছে। এমনকি পিস্তল রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই আধিকারিকই নিউজ ১৮ কে জানাচ্ছেন, মনে করা হচ্ছে লুঠ হয়ে যাওয়া অস্ত্রের বড় অংশ সীমান্ত মায়ানমারে জঙ্গিদের হাতে সম্ভবত চলে গিয়েছে।
তবে কোনও সম্প্রদায়ের এই ৪ হাজার অস্ত্র লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন ওই আধিকারিক। ফলে মায়ানমারে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলেই মনে করা হচ্ছে। আর ওই সমস্ত অস্ত্র রাজ্যে অশান্তি এবং সেনা বাহিনীকে টার্গেট করতেই ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও আশঙ্কা ওই আধিকারিকের।

তবে পুরো বিষয়টি নজরে রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আরও এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, মণিপুর থেকে মায়ানপুর সীমান্তে পৌঁছে যাওয়ার জন্যে একাধিক গোপন পথ রয়েছে। আর সেই পথ ধরেই চুরি হয়ে যাওয়া অস্ত্র জঙ্গিদের হাতে পৌঁছে গিয়েছে বলেই মত রাজনৈতিকমহলের।
বলে রাখা প্রয়োজন, মণিপুরকে অশান্ত করতে নানা ভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা চেষ্টা করছে। গত কয়েকদিন আগে অন্তত ৪০ জন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে খতম করা হয়। শুধু তাই নয়, জঙ্গিরা সেনাবাহিনীর উপর হামলা চালাতে মহিলা এবং বাচ্চাদের মানব ঢাল বানাচ্ছে বলেও সেনাবাহিনী তদন্তে উঠে এসেছে।

যা ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে। এই অবস্থায় গোয়েন্দাদের এই রিপোর্ট রীতিমত চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে গোয়েন্দাদের। এই অবস্থায় মণিপুরকে শান্ত রাখতেই চ্যালেঞ্জ।












Click it and Unblock the Notifications