পশ্চিমবঙ্গের অপরাজিতা বিলের মতো মহারাষ্ট্রেও প্রয়োজন, দাবি শরদ পাওয়ারের
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়েছে অপরাজিতা বিল। নারী সুরক্ষা, ধর্ষকের কঠিন সাজার জন্য এই বিল আনা হয়েছে রাজ্যে। আরজি কর কাণ্ডে গোটা রাজ্য উত্তাল। সাধারণ মানুষ পথে নেমেছে।
এবার পশ্চিমবঙ্গের এই বিল সম্পর্কে সম্মতি জানিয়েছেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার। মহারাষ্ট্রেও চলতি কয়েক সপ্তাহে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। বদলাপুরে দুই খুদে ছাত্রীর উপর স্কুলের মধ্যেই নির্যাতন হয়েছিল। সেই ঘটনায় বিপুল জনরোষ সামনে দেখা গিয়েছিল।

পশ্চিমবঙ্গের এই নারী সুরক্ষা বিল সম্পর্কে প্রশংসা করেছেন জাতীয় কংগ্রেস নেতা শরদ পাওয়ার। সেই ধরনের বিল মহারাষ্ট্র রাজ্যতেও আনা জরুরি। এই কথাই তিনি মনে করেন। সংবাদ সংস্থায় শরদ পাওয়ার বলেছেন, বাংলায় যে বিল আনা হয়েছে, তাতে খুন, ধর্ষণের শাস্তিতে মৃত্যুদণ্ডের কথা বলা হয়েছে। মহারাষ্ট্রেও এই রকম বিল আনা প্রয়োজন।
মহারাষ্ট্রে এখন বিজেপি জোট সরকারে রয়েছে। বদলাপুরের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মহারাষ্ট্র হাইকোর্টও। এই অবস্থায় এনসিপি নেতা অপরাজিতা বিলের উল্লেখ করে বিজেপিকে খোঁচা দিলেন। এমন মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আর এই বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূল সামান্য হলেও অক্সিজেন পেল৷ এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ।
আরজি করের ঘটনা সারা দেশ জুড়ে চর্চায় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বলকে ভর্ৎসনা সামনে পড়তে হয়েছে। অপরাধীদের আড়াল করছে রাজ্য সরকার। সেই কথা বিরোধীদের পক্ষ থেকে উঠছে। মানুষের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহি:প্রকাশ দেখা যাচ্ছে।
এই অবস্থায় রাজনৈতিক প্রাজ্ঞ শরদ পাওয়ার বিলের প্রশংসা করেছেন। পাওয়ার জাতীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞ মুখ। তাঁর মন্তব্য যথেষ্ট গুরুত্ব রাখে। এমন মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব৷
বাংলার মন্ত্রী শশী পাঁজা এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ''বাংলা পথ দেখায়।'' কুণাল ঘোষও ভিডিও বার্তায় এই বিষয়কে উল্লেখ করেছেন।
রাজ্যের আরেক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, 'মঙ্গলবারের বিল ইতিহাস তৈরি করেছে। বিভিন্ন রাজ্যে এর মতো বিল আনার চিন্তা করা হচ্ছে। শরদ পওয়ারের মতো নেতা মহারাষ্ট্রে এই ধরনের বিলের দাবি তুলেছেন।
বাংলা যা ভাবে, দেশ পরে ভাবে। বাংলা এবারও পথ দেখালো। এই দাবি করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।












Click it and Unblock the Notifications