কেজরিওয়াল সরকারের আফগারি নীতি নিয়ে প্রশ্ন! সিবিআই তদন্তের সুপারিশ দিল্লির লেফটেন্ট্যান্ট গভর্নরের
ফের দিল্লির লেফটেন্ট্যান্ট গভর্নরের (Lieutenant Governor) সঙ্গে আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister) বিরোধ প্রকাশ্যে। এদিন দিল্লির লেফটেন্ট্যান্ট গভর্নর কেজরিওয়াল সরকারের আফগারি নীতির (Exci
ফের দিল্লির লেফটেন্ট্যান্ট গভর্নরের (Lieutenant Governor) সঙ্গে আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister) বিরোধ প্রকাশ্যে। এদিন দিল্লির লেফটেন্ট্যান্ট গভর্নর কেজরিওয়াল সরকারের আফগারি নীতির (Excise Policy) বিধি লঙ্ঘন এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির অভিযোগ করে সিবিআই (CBI) তদন্তের সুপারিশ করেছেন। এর আগে দিল্লির মুখ্যসচিবও তাঁর জমা দেওয়া রিপোর্টে বিষয়টির সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন।

আগেই দিল্লির মুখ্যসচিবের সুপারিশ
এই মাসের শুরুর দিকে দিল্লির মুখ্যসচিব বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন। সেখানে বিভিন্ন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে জিএনসিটিডি আইন ১৯৯১, ব্যবসায়িক নিয়মের লেনদেন (টিওবিআৎ) ১৯৯৩, দিল্লি আফগারি আইন ২০০৯, দিল্লি আফগারি বিধি ২০১০ লঙ্ঘনের কথা বলা হয়েছিল। রিপোর্টে মদ ব্যবসায়ীদের ১৪৪ কোটি টাকার সুবিধা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।
|
স্ক্যানারে আসতে পারেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই সংক্রান্ত কাজের জেরে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া স্ক্যানারে আসতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছে আপ। আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ বলেছেন, ২০১৬ সালের পরিস্থিতি ফিরে আসার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। আপকে থামাতে সিবিআই, আয়কর, ইডি তদন্ত শুরু করবে। তিনি আরও বলেছেন কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লির আপ সরকারের কাজে বাধা দেওয়ার সবরকমের চেষ্টা করছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের পরে এবার নিশানায় উপ মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া, বলেছেন তিনি।
|
কেজরিওয়ালের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা কারণ
আপের তরফে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, সারা দেশে দলের সুপ্রিমো কেজরিওয়ালের জনপ্রিয়তার কারণে এই পরিস্থিতি। কটাক্ষ করে তারা বলছে পঞ্চায়েত নির্বাচনও কেন্দ্রকে হুমকির মুখে ফেলছে। আপের দাবি, পঞ্জাবে বিধানসভা জয়ের পর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার তাদেরকে ভয়
পেতে শুরু করেছে। আগামী দিনে আপ নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারকে আরও তদন্তে দেখা যাবে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। দলের তরফে।

আফগারি নীতির বিরুদ্ধে বিজেপি ছাড়াও কংগ্রেসও
দিল্লির জন্য আপ সরকারের নতুন আফগারি নীতি চালু হয়েছে ২০২১-এর ১৭ নভেম্বর থেকে। শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে বিজেপি এবং কংগ্রেস। এই নীতিতে দিল্লিকে ৩২ টি জোনে ভাগ করে ৮৪৯ টি দোকানের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল মদের খুচরো বিক্রির লাইসেন্সের জন্য। এই নীতিতে শহরের অনেক মদের দোকানই অনিশ্চিত এলাকায় মদের দোকান খুলতে ব্যর্থ হয়। যার জেরে পুরসভারগুলির তরফে এই ধরনের কয়েকটি দোকান সিল করে দেয়। কংগ্রেস ও বিজেপির মতো রাজনৈতিক দলগুলির তরফে লেফটেন্ট্যান্ট গভর্নরের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছে অভিযোগ দায়ের কথা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications