বিয়ের মরশুমে কম সতর্কতা বাড়াচ্ছে কোভিড সংক্রমণের ঝুঁকি বলছে গবেষণা
বিয়ের মরশুমে কম সতর্কতা বাড়াচ্ছে কোভিড সংক্রমণের ঝুঁকি বলছে গবেষণা
শুধুই কড়াইশুঁটি, পেঁয়াজকলি কিংবা ফুলকপি নয়, শীতকাল বিয়েরও মরশুম৷ দিকে দিকে একা থেকে দোকা হচ্ছেন যুবক যুবতীরা, কপাল ভরে উঠছে লাল সিঁদুরে। আর এই সিঁদুরেই মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, চারদিকে বিয়ের যা বহর, তাতে কোভিড সংক্রমণ বাড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। লোকাল সার্কেলের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ১০ জনের মধ্যে ছ'জন ব্যক্তির কোনও না কোনও বিয়েবাড়িতে আমন্ত্রণ রয়েছে। আশঙ্কার বিষয়, বিয়ে উপকক্ষে মাস্ক, স্যানিটাইজার সহ স্বাস্থ্যবিধি শিকেয় উঠছে।

কোভিডের আগমনে ২০২০ তে বহু বিয়ে পিছিয়েছিল। যে যুগলরা বাঁধা পড়েছিলেন তাদের বিয়েতেও মানতে হয়েছিল ঢের বিধিনিষেধ। সরকারি নির্দেশ মেনে ৫০ জনের বেশি নিমন্ত্রিত ছিল না গত বছর। তাই এবার যেন ভিড় উপচে পড়েছে। বিয়ের ধুম এতটাই যে দিল্লির মতো শহরে বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে ২০১৯ সালের মতোই। অর্থাৎ করোনাকে কুছ পরোয়া না করেই বিয়ে করছে মানুষ৷ সংখ্যাও চমকে দেওয়ার মতো। ব্যবসায়ীরা বলছেন,শুধু দিল্লিতেই ১৪ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর অবধি মোট দেড় লক্ষ বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে। গোটাদেশে দেখতে গেলে সেই সংখ্যাটা পেরোচ্ছে ২৫ লক্ষ।
লোকাল সার্কেলের একটি রিপোর্ট বলছে, উৎসবের মরশুম থেকেই গা-আলগা দিতে শুরু করেছিল মানুষ। দুর্গাপুজো, দীপাবলি থেকে শুরু করে ছট সমস্ত ক্ষেত্রেই অমিল ছিল মাস্কের ব্যবহার। বিয়েবাড়িগুলিতেও সেই ধারা অব্যাহত। লোকাল সার্কেলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের শেষদিকে যেখানে ৫০ শতাংশ মানুষ সামাজিক দুরত্ববিধি মেনে চলতেন, সেখানে এখন তা মেনে চলছেন মাত্র ছয় শতাংশ মানুষ৷ এদিকে গণটিকাকরণ হয়েছে ঠিকই। তবে গবেষণা বলছে, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ন'মাস বাদ থেকে কমতে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সবমিলিয়ে এই কারণেই মাথায় হাত পড়েছে চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications