US-India Deportees: দ্বিতীয় দফাতেও পায়ে শেকলের বেড়ি, হাতে হাতকড়া! 'অত্যাচার' সয়েই ফিরলেন অভিবাসীরা
US-India Deportees: মোদীর সফরের পরও আমেরিকা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের (Illegal Immigrants) সেই শেকল বেঁধে, হাতকড়া পরিয়েই পাঠানো হল দেশে। রবিবারই এমনই দাবি তুলেছেন দেশে ফেরা ব্যক্তিরা। শনিবার ৯০ ঘণ্টা দেরিতে রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে অমৃতসরের বিমানবন্দরে ১১৬ জন ভারতীয় অভিবাসীদের নিয়ে অবতরণ করে মার্কিন সামরিক সি-১৭ বিমান।
এই নিয়ে দ্বিতীয় দফায় অবৈধ অভিবাসীদের ফেরাল আমেরিকা। সেখানেই ছিলেন পঞ্জাবের হোসিয়ারপুর জেলার কুরালা কালান গ্রামের বাসিন্দা দলজিৎ সিং। তাঁর অভিযোগ, পায়ে শেকল বেঁধে (Legs Chained) হাতে হাতকড়া পরিয়ে (Handcuffs) গোটা যাত্রায় আসতে বাধ্য করা হয়েছে অভিবাসীদের। একইরকম অভিযোগ উঠেছিল প্রথম দফার ক্ষেত্রেও। সেনিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।

দ্বিতীয় দফায় যে অভিবাসীদের ফেরানো হয়েছে তাদের মধ্যে ৬৫ জন পঞ্জাবের বাসিন্দা। হরিয়ানার বাসিন্দা ৩৩ জন। গুজরাটের বাসিন্দা ৮ জন। উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থানের ২ জন করে এবং হিমাচল প্রদেশ ও জম্ম-কাশ্মীরের ১ জন করে রয়েছেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অভিবাসীদের সিংহভাগই ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে।
এদিন হোসিয়ারপুরে সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দলজিৎ সিং জানান অবৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল সেই যাত্রা। যদিও তাঁর স্ত্রীয়ের দাবি যে কোনও একটি ট্রাভেল এজেন্সি তাঁর স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করেছে। গ্রামেরই এক ব্যক্তি সেই ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে দলজিতের যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলেন বলে দাবি তাঁর স্ত্রীয়ের।
পঞ্জাবের গুরদাসপুরের বাসিন্দা জসপাল সিং নামে অপর এক অভিবাসী পিটিআইকে জানান, "আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম আমাদের অন্য শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু পরক্ষণে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, আমাদের ভারতে ফেরত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এরপরই আমাদের হাতকড়া পরিয়েপায়ে শেকল বেঁধে দেওয়া হয়। সোজা অমৃতসর বিমানবন্দরে নামার পরই সেগুলি খোলা হয়।"
অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের এভাবে ফেরানো নিয়ে ব্যাপক নিন্দার ঝড় ওঠে। বিরোধী শিবিরের তরফে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়। সংসদে বাজেট অধিবেশনে এই ইস্যুতে এককাট্টা হন বিরোধীরা। সংসদে এনিয়ে বিস্তারিত আলোচনা দাবি করেন তারা। যদিও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়ে দেন, মার্কিন এসওপি মেনেই তারা অভিবাসীদের ফেরাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে অভিবাসীদের সঙ্গে যাতে দুর্ব্যবহার না করা হয়, তা দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications