‘অপরাধীদের’ রাজনীতিতে প্রবেশাধিকারের দায় আইনসভার নয়, বিহার নির্বাচন মামলায় বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
‘অপরাধীদের’ রাজনীতিতে প্রবেশাধিকারের দায় আইনসভার নয়, বিহার নির্বাচন মামলায় বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
২০২০ সালে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে জমা পড়া প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্রে দেখা গিয়েছিল মোট প্রার্থীর ৩১ শতাংশের বিরুদ্ধেই ছিল ফৌজদারি মামলা। এদিকে অতীতে ক্রিমিন্যাল রেকর্ড থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনী লড়াইয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশিকা জারি করেছিল আদালত। কিন্তু অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি তা মানেনি রাজনৈতিক দলগুলিও। আর এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিতেই সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ে এক আবেদন।

আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশ অনুযায়ী প্রার্থীদের ক্রিমিনাল রেকর্ড থাকলে তা মনোনয়ন পত্রে স্পষ্টভাবে জানানো বাধ্যতামূলক। কিন্তু তা মানেনি প্রায় কোনও রাজনৈতিক দলই। এদিন সেই মামলার শুনানিতেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। একইসাথে মনোনয়ন পত্রে বিশদে এফিডেভিট জমা না দেওয়া এবং অপরাধের ইতিহাস জনসমক্ষে না আনার জন্য আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে কংগ্রেস, এনসিপি, বিএসপি এবং সিপিআইএম-র মতো দলগুলি।
এদিকে এই বিষয়ে চাপা গুঞ্জন চলছিল দীর্ঘদিন ধরেই। এমনকী এও কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল শাস্তি স্বরূপ বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে বিধি লঙ্ঘনকারী রাজনৈতিক দলগুলির। অবশেষে সুপ্রিম রায়ে সেই বিষয়ে ধোঁয়াশা কাটল। এদিন বিচারপতি আরএফ নরিম্যান এবং বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষাতেই জানান 'অপরাধীদের’ রাজনীতিতে আসা এবং নির্বাচনে লড়া আটকাতে আইনসভা কিছু করতে পারবে না।
যদিও এনসিপি জানিয়েছে, মনোনয়নপত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তারা বিহারের রাজ্য ইউনিটের বিরুদ্ধে নিয়েছে। দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে নাতি কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে বিএসপিও। তবে এনসিপির তরফে হেভিওয়েট আইনজীবী কপিল সিবল বলেন, এই বিষয়ে নিশ্চিত সমাধানের জন্য দরকার নতুন 'মেকানিজম’। কার্যত একই সুর শোনা যায় বসপার আইনজীবী দীনেশ দ্বিবেদীর গলাতেও।












Click it and Unblock the Notifications