জেএনইউ-এ ছাত্র ভোটে সবেতেই জয়ী বামেরা! উত্তেজনা হার মানাল সাধারণ নির্বাচনকেও, দেখুন ভিডিও
জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সভাপতি, সহসভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নির্বাচনে এগিয়ে বামপন্থী ছাত্রদের জোট। পিছিয়ে পড়েছে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি।
জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সভাপতি, সহসভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নির্বাচনে এগিয়ে বামপন্থী ছাত্রদের জোট। পিছিয়ে পড়েছে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। বিভিন্ন অভিযোগ ওঠায় প্রায় ১৪ ঘণ্টা ভোটগণনা বন্ধের পর শনিবার বিকেল থেকে শুরু করা হয় ছাত্র সংসদের ভোটগণনা।
|
হামলার অভিযোগ
বিশ্ববিদ্যালেয়র তরফে ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের তরফে গণনা কেন্দ্র থেকে বলপূর্বক ঢুকে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ করা হয়। ভোট গণনা শুরুর কথা তাদের জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করে বিক্ষোভে শামিল হয় এবিভিপি। শনিবার সন্ধে সাড়ে ছটা নাগাদ অভিযোগ তদারকি সেলের দুই অধ্যাপককে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগের পর ভোট গণনা শুরু হয়।
এবিভিপির অভিযোগ, বামদলগুলির সদস্যরা তাদের সদস্য-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অপর দিকে বাম ছাত্রগুলির তরফেও একই অভিযোগ করা হয় এবিভিপিকে লক্ষ্য করে। ভোটগণনা স্থগিত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিআরপিএফ মোতায়েনও করা হয়।
|
বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা গাড়ি নিয়ে অভিযোগ
এবিভিপি এই গাড়িতে লোক এনেছিল বলে অভিযোগ বাম ছাত্র সংগঠনগুলির।
|
এবিভিপির বিরুদ্ধে অবস্থান
এবিভিপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করে অবস্থানে ছাত্রছাত্রীদের একাংশ।
|
বাম ছাত্রজোটের বিরুদ্ধেও অভিযোগ
বাম ছাত্রজোটের বিরুদ্ধে হামলা ও হুমকির অভিযোগ করেছে এবিভিপি।
ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে বামেদের তরফে এন সাই বালাজি ১৬২৬ ভোট পেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছেন। ৭৪১ ভোট দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন এবিভিপির ললিত পাণ্ডে। বাপসা, আরজেডি এবং এনএসইউআই-এর প্রার্থী যথাক্রমে পেয়েছে ৫১০, ৪১০ ও ৩২৫ ভোট।
ছাত্র সংসদের সহ সভাপতি পদে বামেদের তরফে সারিকা প্রায় ২০০০ ভোট পেয়ে সবার আগে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবিভিপির গীতাশ্রী পেয়েছেন ৭৬৯ ভোট। বাপসা আর এনএসইউআই যথাক্রমে ৪১৪ এবং ৩৪২ ভোট পেয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদকের পদেও এগিয়ে রয়েছেন বাম ছাত্র সংগঠনের প্রার্থী। আজিজ আহমেদ রাঠের ১৮৩৩ ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে এবিভিপির গণেশ গুর্জর পয়েছে ৮৬৩ ভোট। সব ক্ষেত্রেই ভোট গণনা চলছে।
শুক্রবার ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৬৭.৮ শতাংশ ছাত্রছাত্রী ভোট দিয়েছিলেন। সংখ্যার নিরিখে যা প্রায় ৫ হাজারের মতো। এর আগে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে যথাক্রমে ৫৯.৬ এবং ৫৮.৯ শতাংশ ভোট পড়েছিল।
অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন( এআইএসএ), স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া( এসএফআই), ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস ফেডারেশন( ডিএসএফ) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন( এআইএসএফ) ইউনাইটেড লেফট অ্যালায়েন্স গঠন করে এই নির্বাচনে সামিল হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications