লোকসভায় হেরে যাওয়া প্রার্থীদের টিকিট নয় বিধানসভায়! ভরাডুবি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বামজোট

এলডিএফ মূলত নির্বাচনী ট্র‌্যাকে হাঁটছে গত পাঁচ বছরে তারা কী কী করতে পেরেছেন, সেই সাফল্যকে সামনে রেখেই। পাশাপাশি সরকারে যে সব উদ্যোগ ইতিমধ্যেই গৃহীত হয়েছে, পরবর্তীকালে তাতে আরও কীভাবে উন্নতি করা যায়, তা নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এলডিএফ। আসন্ন বিধানসভা ভোটে টানা দ্বিতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে এলডিএফের মূল স্লোগান হতে চলেছে 'বিকাশের জন্য ভোটদান।' এছাড়া লোকসভায় হেরে যাওয়া প্রার্থীদের ভোট ময়দানে নামিয়ে কোনও এক্সপেরিমেন্ট করতে রাজি নয় বাম জোট।

কোন নির্বাচনী প্রচার মডেল অনুসরণ?

কোন নির্বাচনী প্রচার মডেল অনুসরণ?

সম্প্রতি স্থানীয় ভোটে এই একই নির্বাচনী প্রচার মডেল অনুসরণ করেই এলডিএফ বিপুল জয় হাসিল করেছে। এই সরকার বিরোধীদের তোলা অভিযোগের ফাঁদে পড়েনি অথচ ভোটারদের যা বোঝাতে চেয়েছিল, তা করতে পেরেছে এই বার্তা দিয়ে যে নিজের চারপাশে তাকিয়ে পরিবর্তন দেখুন। ভোটাররা যারা ইতিমধ্যেই কোভিড প্যানডেমিকের সময় এবং বন্যার সময় গণবণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিনামূল্যে 'প্রভিশন কিট' পেয়েছে, তাদের আর আলাদা করে সরকারের উদ্যোগ নিয়ে বোঝাতে লাগেনি।

সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ

সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ

স্থানীয় নির্বাচনের পরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেছিলেন, 'সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বিদ্বেষমূলক প্রচার চালানো হয়েছিল। কিন্তু মানুষ এতে কান দেয়নি। তারা সরকার পরিচালিত কল্যাণমূলক এবং বিকাশমূলক কার্যকলাপকে সমর্থন করেছে। তারা চেয়েছে, সরকার এই ভালো কাজের ধারা অব্যাহত রাখুক।'

প্রতিশ্রুতির মধ্যে কেবল ৩০টিই বাকি

প্রতিশ্রুতির মধ্যে কেবল ৩০টিই বাকি

গত মাসে যখন পিনারাই বিজয়ন তাঁর জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, তিনি জনগণকে বলেছিলেন যে ২০১৬ সালের তাঁদের নির্বাচনী ইস্তেহারের মধ্যে যে ৬০০টি প্রকল্প এবং পরিকল্পনার উল্লেখ করা হয়েছিল, তার মধ্যে কেবল ৩০টিই বাকি রয়েছে এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তাও শেষ হয়ে যাবে।

এলডিএফ সরকারের জনমুখী প্রকল্প

এলডিএফ সরকারের জনমুখী প্রকল্প

এলডিএফ সরকারের কাছে এমন অনেক প্রকল্প আছে, যা তারা আসন্ন বিধানসভা ভোটের প্রচারে ইশু হিসাবে সামনে রাখতে পারে। যেমন আর্দ্রম মিশন, যা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিপ্লব এনে দিয়েছে। লাইফ মিশন, যার মাধ্যমে রাজ্যে চলতি বছরের 18 জানুয়ারি পর্যন্ত গৃহহারাদের জন্য ২,৫১,০৪৬টি বাড়ির বন্দোবস্ত করা হয়েছে। হরিথা কেরলম মিশন, যা রাজ্যের জলপথ, পরিবেশরক্ষা এবং বর্জ্য পদার্থের সক্রিয় রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। পাবলিক এডুকেশন রিজুভিনেশন মিশন, যার আওতায় কেরলে গণশিক্ষায় আক্ষরিক অর্থেই পুনরুজ্জীবন এসেছে।

গৃহীত হয়েছে বিবিধ পরিকাঠামোর উন্নয়নমূলক প্রকল্প

গৃহীত হয়েছে বিবিধ পরিকাঠামোর উন্নয়নমূলক প্রকল্প

তাছাড়া মহিলাদের ক্ষমতায়ন, রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের জন্য উদ্যোগ প্রভৃতিও উল্লেখ্য। রূপান্তরকামীদের জন্য অন্যান্য নানা ধরনের উদ্ভাবনীমূলক, সামাজিক কল্যাণমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি সম্ভবত দেশের মধ্যে কেরালাই প্রথম রাজ্য যারা তাদের জন্য পাবলিক সারভিস কমিশনের মাধ্যমে চাকরি দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছে। কেরল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে কে ফোন, সাশ্রয়ী দামে ইনটারনেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং গৃহীত হয়েছে বিবিধ পরিকাঠামোর উন্নয়নমূলক প্রকল্পও।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+