১৮ দফা এজেন্ডা সামনে রেখে মণিপুরে বাম-কংগ্রেস জোট
১৮ দফা এজেন্ডা সামনে রেখে মণিপুরে বাম-কংগ্রেস জোট
২৭ ফেব্রুয়ারি মণিপুরে বিধানসভা নির্বাচন৷ যেখানে জেতার ব্যাপারে আশার কথা শুনিয়েছেন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং৷ তবে একইসঙ্গে মণিপুরে বিজেপির প্রধান সমস্যা হল টিকিট না পাওয়া নেতারা বিজেপি ছেড়ে অন্য দলে চলে যাচ্ছে৷ এবার বিজেপির চাপ বাড়িয়ে মণিপুরের নির্বাচনে জোট ঘোষণা করল বাম-কংগ্রেস।
মণিপুর প্রগতিশীল সেক্যুলার অ্যালায়েন্স নামে প্রাক-নির্বাচন জোটে রাজ্যে ছ'টি অ-বিজেপি দল কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিআই (এম), ফরোয়ার্ড ব্লক, আরএসপি এবং জেডি (এস) রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি-মার্চের জন্য গঠিত হয়েছে এই জোট। কারণ ১০ মাড়চ মণিপুর বিধানসভা ভোটের ফল৷ এমপিএসএ জোটের পক্ষ থেকে ১৮-দফা সাধারণ এজেন্ডার কথা ঘোষণা করা হয়েছে৷ কংগ্রেস ভবনে ছ'টি রাজনৈতিক দলের যৌথভাবে আয়োজিত এক সংবাদিক সম্মেলনে এই জোটের ঘোষণা করা হয়েছে। মণিপুরের দায়িত্বে থাকা এআইসিসি নির্বাচন পর্যবেক্ষক জয়রাম রমেশ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওকরাম ইবোবি সিং এবং বাম দলগুলির প্রতিনিধি মইরাংথেম নারা সিং এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এমপিএসএ নেতারা বলেছেন যে তারা মণিপুরে ক্ষমতায় এলে ১৮-দফা এজেন্ডার বাস্তবায়ন করবেন৷
কিন্তু কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই ১৮ দফা এজেন্ডা? কি রয়েছে এজেন্ডায়?
সংবাদিক বৈঠকে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এজেন্ডায় রয়েছে মণিপুরের আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং রাজ্যের ঐতিহাসিক সীমানা সংরক্ষণ, মণিপুরের জনগণের সুবিধার জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা আইন প্রণয়ন করা, রাজ্যের যুবকদের বেকার ভাতা প্রদান, রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা এবং মণিপুরের প্রতিটি পরিবারকে জীবিকার আয় নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার দেওয়ার মতো বিষয়৷ জোটের নেতারা বলেছেন সাধারণ এজেন্ডায় ভারতীয় সংবিধানের ৩৭১ (সি) অনুচ্ছেদের পূর্ণ বাস্তবায়নও করার বিষয়টিও রয়েছে৷ জোটে থাকা ৬টি রাজনৈতিক দলের উল্লেখ করা হয়েছে কংগ্রেসের মণিপুর প্রগ্রেসিভ সেকুলার অ্যালায়েন্স (এমপিএসএ), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী), ফরোয়ার্ড ব্লক, বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক দল (আরএসপি) এবং জনতা দল (আরএসপি)।
জোটের পক্ষ থেকে টুইট করে বলা হয়েছে, ভারতীয় জনতা পার্টিকে পরাজিত করতে এবং গণতন্ত্র, দেশের বৈচিত্র্য এবং সংবিধান রক্ষার জন্য একটি নতুন সরকার গঠনের জন্য আমাদের একটি ত্রিমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। আলোচ্যসূচিতে, নিরাপদ পানীয় জলে সর্বজনীন প্রবেশাধিকার এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং সমস্ত অঞ্চলের গণতান্ত্রিক আকাঙ্খা পূরণের মতো প্রতিশ্রুতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রসঙ্গত ৬০-সদস্যের মণিপুর বিধানসভার জন্য ভোট দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে - ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ৩ মার্চ। ভোট গণনা করা হবে ১০ মার্চ।












Click it and Unblock the Notifications