দশেরায় 'তুলকালাম'! বিহারের জোট 'বিসর্জন' নিয়ে জল্পনা
বিহারের এনডিএ জোটে কি ফাটল চওড়া হচ্ছে, এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। পটনার গান্ধী ময়দানে দশেরার অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিল বিজেপি। তারপর থেকেই জল্পনা চরমে ওঠে।
বিহারের এনডিএ জোটে কি ফাটল চওড়া হচ্ছে, এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। পটনার গান্ধী ময়দানে দশেরার অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিল বিজেপি। তারপর থেকেই জল্পনা চরমে ওঠে। মঙ্গলবার দশেরা উৎসবের সূচনা করেন নীতীশ কুমার। বিজেপির অনুপস্থিতিকে অভ্যন্তরীণ বিরোধ ধরে নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি কটাক্ষ করতেও শুরু করেছে।

দশেরার অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত বিজেপি নেতারা
পটনা গান্ধী ময়দানের দশেরা উৎসবে অনেককেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অনুপস্থিতদের তালিকায় রয়েছেন, উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী, বিহারের একাধিক মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং পটনা সাহিবের সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, পাটলিপুত্রের সাংসদ রামকৃপাল যাদব, রাজ্যের মন্ত্রী এবং স্থানীয় বিধায়ক নন্দকিশোর যাদব।

মুখ্যমন্ত্রীর পাশে কংগ্রেস
তবে ওইদিনের অনুষ্ঠানের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পাশে ছিলেন, বিহার বিধানসভার স্পিকার বিজয়কুমার চৌধুরী, রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি এবং বিধান পরিষদের সদস্য মদন মোহন ঝা।
সাম্প্রতিক সময়ে জোটে গণ্ডগোল শুরু হয়েছে পটনার বন্যা নিয়ে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বেগুসরাইয়ের সাংসগ গিরিরাজ কিশোর বন্যা নিয়ে কড়া আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে।

বিহার বিজেপির সাফাই
যদিও বিহার বিজেপির মুখপত্র নিখিল আনন্দ দশেরা অনুষ্ঠানে বিজেপি নেতাদের অনুপস্থিতিতে জোটে ফাটলের কিছু দেখছেন না। অনুপস্থিতি থেকে জোটে ফাটল ধরে নেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন এনডিএ পর্বতের মতো শক্ত। তিনি বলেছেন, বিজেপি এখন চেষ্টা চেষ্টা করছে মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে জিতে দুই রাজ্যে ফের ক্ষমতায় ফিরতে।
বিহার বিজেপির মুখপত্র নিখিল আনন্দ বলেছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ দিন কয়েক আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি এবারের দশেরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না। কেননা স্থানীয় সাংসদ হিসেবে তিনি জানেন, অনেকেই উৎসব উদযাপন থেকে বঞ্চিত রয়ে গিয়েছেন বন্যার কারণে। যা সাধারণ জনজীবনেও প্রভাব ফেলেছে। দলের অন্য নেতারা তাঁকে অনুসরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন ওই নেতা।












Click it and Unblock the Notifications