Lawrence Bishnoi: লরেন্সের টার্গেটে আর কে কে? NIA জেরায় প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডের পরে থমথমে হয়ে রয়েছে গোটা বলিউড। সলমন খানের চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ ধরা পড়েছে। শিল্পা সেট্টি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন বাবা সিদ্দিকির অন্ত্যেষ্টিতে এসে। সিধু মুসেওয়ালার হত্যাকাণ্ডের পরে ববা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ড। লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাণ্ডে রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকিকে গুলি করে হত্যার ঘটনা রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলিউডে। জেলে বসেই কীভাবে এই টার্গেট পূরণ করছে লরেন্স। কোন পরিকল্পনায় সে কাজ করছে এই নিয়ে রীতিমতো চমকে গিয়েছে পুলিশও।

বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডের পরে রীতিমতো থমথমে হয়েছে রয়েছে বলিউডের পরিস্থিতি। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের টার্গেটে রয়েছেন সলমন খানও। সলমন খানও টার্গেট করেছেন লরেন্স বিষ্ণোই। শনিবার রাতেই বাবা সিদ্দিকিকে তার অফিসে গুলি করে হত্যা করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডের পরে রীতিমতো থমথমে হয়েছে রয়েছে বলিউডের পরিস্থিতি। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের টার্গেটে রয়েছেন সলমন খানও। সলমন খানও টার্গেট করেছেন লরেন্স বিষ্ণোই। শনিবার রাতেই বাবা সিদ্দিকিকে তার অফিসে গুলি করে হত্যা করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
লরেন্স বৈষ্ণোই গ্যাং এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। এনআইএ-র তদন্তকারীরা গ্যাংস্টার লরেন্সকে জেরা করে জানতে পেরেছেন তার হিটলিস্টে রয়েছে ৫ জন। জেলে থাকলেও সেখান থেকেই সে তার কাজ পরিচালনা করছে। তবে লরেন্সের টার্গেটে শীর্ষে রয়েছেন সলমন খান।
১৯৯৮ সালে রাজস্থানে শ্যুটিং করতে গিয়ে ব্ল্যাকবাগ হরিণ শিকার করেছিলেন সলমন খান সহ একাধিক বলি তারকা। সেই তালিকায় নাম ছিল সোনালী বেন্দ্রে, শিল্পা শেট্টি, সইফ আলি খান, তাব্বুরও। সেই মামলায় সলমন খানের এক দিনের জেলও হয়েছিল। সেই ব্ল্যাকবাগ বা কৃষ্ণসার হরিণ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই লরেন্স বৈষ্ণো গ্যাং টার্গেট করে রয়েছে সলমন খানকে।
প্রকাশ্যেই বলিউড অভিনেতা সলমন খানকে হত্যার হুমকি দিয়ে রেখেছে লরেন্স বৈষ্ণোই গ্যাং। মুম্বই পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সলমন খানের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। তারপরেও সলমন খানের বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। তারপরে আরও সতর্ক মুম্বই পুলিশ। গ্যাংস্টারকে জেরা করে জানা গিয়েছে সম্পৎ নেহরা নামে এক সহযোগীকে সলমন খানকে হত্যার সুপারি দিয়েছে। এবং সে নাকি সলমন খানের বাড়ির উপরে নজরদারি চালাচ্ছে।
যদিও সম্পদ নেহেরাকে হরিয়ানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ২০২৪ সাল থেকে ফের টার্গেটে রয়েছেন সলমন খান। কিন্তু লরেন্স বৈষ্ণোর ৫ টার্গেটের মধ্যে কে কে রয়েছেন। সিধু মুসেওয়ালার ম্যানেজার সংগ্রাণপ্রীত সিং। সংগ্রাণপ্রীতের কিলারদের আশ্রয় দিয়েছিলেন লরেন্স। এছাড়াও গ্যাংস্টার কুশল চৌধুরীকে টার্গেট করেছে। গুরুগ্রাম জেলে রয়েছে সে। তালিকায় রয়েছে আরও এক গ্যাংস্টার অমিত দাগর। সেও জেলে রয়েছে। টার্গেট পূরণে ১১০০ শ্যুটার বিভিন্ন শহরে বহাল করেছে সে।












Click it and Unblock the Notifications