'গরিব কল্যাণ' হলেও মোদীর অন্ন যোজনার সুবিধা পাবেন না দেশের অধিকাংশ দরিদ্র! জেনে নিন কেন

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ক্যাবিনেট যখন অন্ন যোজনা স্কিমের মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্তে শিলমোহর দেন, তখন নিশ্চই অনেকেই শ্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন। সঙ্গে আশাও বেড়েছিল নিজেদের পরিস্থিতির উন্নতির। বর্তমানে ফুড কর্পোরেশনের কাছে ১০ কোটি টন খাদ্য শস্য রয়েছে। তবে দেশের অর্থনীতির চাকা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

অন্ন যোজনার সুবিধা পাবেন কারা?

অন্ন যোজনার সুবিধা পাবেন কারা?

কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট সনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেস শাসিত ১১টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের আবেদন জানিয়েছিলেন অন্ন যোজনার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য। তবে এই যোজনার মাধ্যমে রেশনের পরিমাণ শুধু সেই মানুষগুলির জন্যেই দুইগুণ হল যারা ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্টের অন্তর্ভুক্ত।

 দেশের অধিকাংশ গরিব অভুক্ত থাকবেন

দেশের অধিকাংশ গরিব অভুক্ত থাকবেন

২০১৩ সালে ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি আইনটি কার্যকর করা হলে, ভর্তুকিযুক্ত খাদ্যশস্য কেবলমাত্র দুই তৃতীয়াংশ ভারতীয়কেই সরবরাহ করার কথা বলা হয়। অর্থনীতিবিদরা অনুমান, তার পর থেকে, এনএফএসএ তালিকায় ১০০ মিলিয়ন নাম আপডেট হয়নি। এর অর্থাৎ দেশের অধিকাংশ গরিব মানুষ এই করোনা পরিস্থিতিতে অন্ন যোজনা থেকে বঞ্চিত থাকবেন।

১০০ মিলিয়ন নাম আপডেট হয়নি কেন?

১০০ মিলিয়ন নাম আপডেট হয়নি কেন?

তবে এই এনএফএসএ তালিকায় ১০০ মিলিয়ন নাম আপডেট হয়নি কেন? মনে করা হচ্ছে আধআর লিঙ্ক করে এই প্রক্রিয়া করা কথা থাকার জেরে অনেকেই তা পারেননি। এই ডিজিটাল জটিলতার মধ্যে পড়ে তাই এই দুর্দিনে তাঁরা অন্নের অভাবে ভুগছেন। এত কোটি টাকার স্কিম ঘোষণা করার পরও তাই দেশের অধিকাংশ গরিব মানুষ বঞ্চিত থেকে যাবেন, এমনই মত, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

এর আগে প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে বলেন, 'আমাদের এখানে বৃষ্টির সময় ও পরে কৃষিক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়। পাশাপাশি জুলাই থেকে ধীরে ধীরে উৎসব-পার্বন শুরু হয়। রাখি বন্ধন, জন্মাষ্টমী, দুর্গাপুজো, ছটপুজো, দীপাবলি একের পর এক উৎসব চলতে থাকে। এইসময় প্রয়োজনের পাশাপাশি খরচও বাড়ে। আর একথা মাথায় রেখেই সরকারের তরফে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার মেয়াদ নভেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হল। অর্থাৎ ৮০ কোটির বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়ার এই যোজনার মেয়াদ আরও পাঁচমাস বাড়ল। এই পাঁচ মাস পরিবার প্রতি সদস্যের ৫ কেজি করে খাদ্যশস্য দেওয়া হবে। এর সঙ্গে একমাস অন্তর ডালশস্য দেওয়া হবে।

৯০ হাজার কোটির বেশি টাকা খরচ

৯০ হাজার কোটির বেশি টাকা খরচ

নরেন্দ্র মোদী জানান, এই যোজনার খাতে ৯০ হাজার কোটির বেশি টাকা খরচ হয়েছে। বিগত তিন মাসের হিসেব জুড়লে যা গিয়ে দাঁড়ায় দেড় লাখ কোটি টাকা। গরিবদের এই বিনামূল্যে খাদ্য দেওয়ার যোজনার জন্য কৃষক ও আয়কর দাতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। বলেন, 'গরিবদের সরকার যদি এই বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দিতে পারছে, তার কৃতিত্ব কৃষক ও আয়কর দাতাদের। তাঁদের পরিশ্রমেই দেশ এই সাহায্য করতে সক্ষম হয়েছে।'

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+