পাটনায় লালুর সভায় 'শো-স্টপার' মমতা, বিজেপির বিরুদ্ধে একমঞ্চে মমতা- লালু- অখিলেশ

লালুপ্রসাদের বিজেপি বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি বিরোধী আন্দোলনে একমঞ্চ এলেন মমতা, লালু ও অখিলেশ

লালুপ্রসাদের বিজেপি বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন গান্ধী ময়দানে লালুপ্রসাদের ডাকা 'বিজেপি ভাগাও, দেশ বাঁচাও' অভিযানে একমঞ্চে দেখা গেল মমতা- লালু- অখিলেশকে। ছিলেন না কংগ্রেস সভানেন্ত্রী সনিয়া গান্ধী বা দলের সহসভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন গুলাম নবি আজাদ।

পাটনায় লালুর সভায় 'শো-স্টপার' মমতা, বিজেপির বিরুদ্ধে একমঞ্চে মমতা- লালু- অখিলেশ

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সেই নোট বাতিলের সময় থেকেই সুর চড়িয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার গান্ধী ময়দানেও তার অন্যথা হল না। এদিনও বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে একের পর এক ইস্যু ধরে তুলোধনা করলেন তিনি। অ-বিজেপি রাজ্যগুলিকে বঞ্চিত করার পাশাপাশি, বিজেপির এই রাজ্যগুলিতে ভাগাভাগির রাজনীতি করছে বলে আক্রমণ করেন মমতা। বিরোধিতা করলেই কেন্দ্রীয় সরকার সিবিআই, ইডি লেলিয়ে দিয়ে জেলে ভরে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে উল্লেখযোগ্যভাবেই নাম না করে নীতীশ কুমারের কড়া সমালোচনা করলেন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, বিহারবাসী বিশ্বাসঘাতকে ক্ষমা করবে না। অপরদিকে গোটা দেশেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রের বিরোধিতায় সরব হন মমতা। হরিয়ানার পাঁচকুলার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, বিজেপি সরকার নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে গোটা হরিয়ানাকে জ্বলতে দিল। তিনি বলেন, বিজেপি যেভাবে দেশকে টুকরো করতে চাইছে, আগামী দিনে তারা নিজেরাই টুকরো হয়ে যাবে। এদিন বক্তব্য রাখতে উঠে প্রথমেই ভোজপুরিতে সম্ভাষণ করে উপস্থিত জনতার মন জয় করেন নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব স্টাইলে তিনি যখন বক্তব্য রাখছেন, তখন হাততালিতে ফেটে পড়ে পাটনার গান্ধী ময়দান।

পাটনায় লালুর সভায় 'শো-স্টপার' মমতা, বিজেপির বিরুদ্ধে একমঞ্চে মমতা- লালু- অখিলেশ

এদিনের সভার শেষ বক্তা ছিলেন খোদ লালুপ্রসাদ। বিজেপি তো ছিলই, কিন্তু তাঁর নিশানায় ছিলেন মূলত মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। লালু পরিষ্কার জানিয়ে দেন, নীতীশ ভাল লোক নন, তা তিনিই আগেই জানতেন। কিন্তু বিহারের স্বার্থেই তিনি মহাজোটে নীতীশকে সামিল করেছিলেন বলে জানিয়েছেন লালু। ছেলে তেজস্বীর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, তেজস্বী খুবই ভাল কাজ করছিলেন কিন্তু নীতীশ শুধু নিজের স্বার্থের কথা ভেবে তাঁর অপসারণ চাইছিলেন।

এদিনের সভার শো- স্টপার ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। কিছুটা অপ্রত্যাশিতভাবেই এই সভায় প্রচুর জনসমাগম হয়। কারণ সনিয়া বা রাহুল থাকবেন না তা আগেই জানা ছিল। সভায় যোগ দেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীও। ফলে লালুর সভা কতটা লোক টানতে পারে সেবিষয়ে একটু সন্দিহান ছিল রাজনৈতিক মহল। তাহলে কী লালুর সভায় বিপুল জনসমাগম শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকর্ষণে ? যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+