ফের লখিমপুরে উত্তেজনা, দেহ সৎকারে নারাজ কৃষকরা, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দাবি
ফের লখিমপুরে উত্তেজনা, দেহ সৎকারে নারাজ কৃষকরা, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দাবি
নির্মম ভাবে পিষে দিয়েছিল গাড়ি। হাসপাতালে নিয়ে যেতে সব শেষ। লখিমপুরে মৃত ৮ কৃষকের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ১৯ বছরের লভপ্রীত সিং। তাঁর দেহের ময়নাতদন্তের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছিল পরিবার। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল থেকে তারা তৎপর হয়েছে যতক্ষণ না সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তারা হাতে পাচ্ছে ততক্ষণ তারা দেহ সৎকার করবে না। লভপ্রীতের দেহ একটি কাঁচের বাক্সে রেখে প্রতিবাদ জানিয়ে চলেছেন পরিবার এবং গ্রামের লোকেরা।

দেহ সৎকারে নারাজ
দেহ সৎকারে নারাজ লভপ্রীত সিংয়ের পরিবারের লোকেরা। ঘটনার দিন লভপ্রীতকে গাড়ির চাকায় পিষে মারা হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হলেও পরিবারের লোকেরা এখনও সেটা হাতে পাননি। সেটা যতক্ষণ না তাঁরা হাতে পাচ্ছেন ততক্ষণ তাঁরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন এবং লভপ্রীতের দেহ সৎকার করা হবে না বলেও জানিয়েছেন পরিবারে লোকেরা। একটি কাচের বাক্সে লভপ্রীত সিংয়ের দেহ রেখে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা।

পরিবারের লোকের অভিযোগ
পরিবারের লোকেরা অভিযোগ করেছেন ঘটনার দিন লখিমপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে আশিস মিশ্র গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনিই গাড়িতে পিষে মেরেছেন তাঁর ছেলেকে। অথচ উত্তর প্রদেশ পুলিশ এখনও তাঁদের গ্রেফতার করেনি। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল লভপ্রীতকে। সেখানে লভপ্রীত ফোনে তাঁকে জানিয়েছিলেন তিনি ভাল আছেন। তার উত্তরে তিনি ছেলেকে বলেছিলেন আমরা বেরিয়ে পড়েছি। এক্ষুনি আসছি। তারপরেই তাঁরা হাসপাতালে গিয়ে দেেখন লভপ্রীত মারা গিয়েছেন। এটা কীভাবে সম্ভব হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লভপ্রীতের পরিবার।

অভিযোগ অস্বীকার
গাড়িতে পিষে মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলে। আশিস মিশ্র দাবি করেছেন তিনি সেদিন ঘটনাস্থলে ছিলেন না। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি এরকম কোনও ঘটনা ঘটেইনি। উল্টে কৃষকরাই রেগে গাড়িতে আগুন ধরিেয় দিয়েছিল। যদিও উত্তর প্রদেশ পুলিশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে এইআইআর দায়ের করেছে। কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত তাঁদের গ্রেফতারি দাবি করেছে।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নামে এফআইআর
শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। এছাড়াও ১১ জন কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। গতকাল প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছিল লখিমপুর ঢোকার আগেই। তাঁকে একটি গেস্ট হাউসে রাখা হয়েছিল। সেই গেস্ট হাউস ঝাড়ু দেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন কোনও রকমএফআইআর ছাড়াই তাঁকে ২৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। তারপরেই তড়িঘড়ি এফআইআর দায়ের করে উত্তর প্রদেশ পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications