Lakhimpur case update: অবশেষে উত্তর প্রদেশ পুলিশের ক্রাইমব্রাঞ্চে হাজিরা দিলেন আশিস মিশ্র
Lakhimpur case update: অবশেষে উত্তর প্রদেশ পুলিশের ক্রাইমব্রাঞ্চে হাজিরা দিলেন আশিস মিশ্র
লখিমপুরের ঘটনায় অবশেেষ উত্তর প্রদেশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের দফতরে হাজিরা দিলেন মন্ত্রী পুত্র আশিশ মিশ্র। তাঁর বিরুদ্ধেই গাড়ি চালিয়ে ৮ জনকে পিষে মারার অভিযোগ রয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি তা নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছে। গত পরশু আশিস মিশ্রর বাড়ির সামনে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েেছ।

পুলিশের জেরার মুখে আশিস মিশ্র
লখিমপুর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে। ঘটনার দিন তিনিই গাড়িতে পিষে ৮ জনকে মেরেছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করেছে পুলিশ। তারপরেই দীর্ঘ ৫ দিন নিখোঁজ থাকার পর আজ নিজেই উত্তর প্রদেশ পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের দফতরে । আজই তাঁকে হাজিরে দেওয়ার নোটিস ধরিয়েছিল উত্তর প্রদেশ পুলিশ। গতকাল সুপ্রিম কোর্টে এই নিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করা হয়েছিল উত্তর প্রদেশ পুলিশকে। কেন আশিস মিশ্রকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হল না তা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন বিচারপতি।

মূল অভিযু্ক্ত আশিস
লখিমপুরে ৮ কৃষকের মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ছেলে আশিস মিশ্র। লখিমপুরে আন্দোলনরতন কৃষকদের মিছিলে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে ৮ জনকে পিষে মেরেছিলেন তিনি। এমনই অভিযোগ কৃষক সংগঠনের। চালকের আসনে সেই সময় মন্ত্রী পুত্র আশিস মিশ্রই বসে ছিলেন। তারপরেই উত্তর প্রদেশ পুলিশ আশিস মিশ্রর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল। শুক্রবারই তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিলষ কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি যাননি।

অভিযোগ অস্বীকার মন্ত্রীর
ঘটনার পর থেকেই বারবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র দাবি করেছেন ঘটনার দিন তাঁর ছেলে সেখানে ছিলেন না। লখনউয়ে পৌঁছেই অজয় মিশ্র বলেছেন,আইনের প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে। আমার ছেলে নির্দোষ। ইতিমধ্যেই লখিমপুর কাণ্ডে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। লবকুশ এবং আশিস। এঁরা ২ জনেই আশিস মিশ্রর ঘনিষ্ঠ বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। বিজেপি নেতা বরুণ গান্ধীও অভিযুক্তের গ্রেফতারি দাবি করে যোগীকে চিঠি লিখেছিলেন।

তোলপাড় লখিমপুর
উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে লখিমপুরের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। একের পর এক রাজনৈিতক নেতা লখিমপুরে পৌঁছেছেন। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নেত্রীরা। অন্যদিকে প্রথমে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটকানো হলেও পরে যোগী সরকার তাঁকে অনুমতি দেয়। রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী গিয়ে মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।












Click it and Unblock the Notifications