লাদাখে আগ্রাসী চিনের সেনার ক্যাম্পে এখন প্লাবনের আশঙ্কা, ফুঁসছে গালওয়ান! ড্রাগন শিবিরে ত্রাস
রাখে হরি মারে কে! লাদাখে আগ্রাসী চিনের সেনার ক্যাম্পে এখন প্লাবনের আশঙ্কা, ফুঁসছে গালওয়ান
রাখে হরি মারে কে! যুদ্ধে উস্কানি দিয়ে লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে বিশাল সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছিল চিন। এরপর ভারতের সেনার হাতে নাস্তানাবুদ হয়েও শিক্ষা হয়নি বেজিংএর। সেনা মোতায়েনের সংখ্যা আরও বাড়িয়েছে চিন। কিন্তু, বাধ সাধল প্রকৃতি। চিনের গালওয়ানের তীর ধরে যেখানে মোতায়েন রয়েছে লালফৌজ তার সামনেই এবার নদী র জল বাড়তে শুরু করায় , ড্রাগন বাহিনীর বিপর্যয় ঘনিয়ে আসতে শুরু করেছে।

প্রাকৃতিক সংকটের মুখে চিন সেনা
ভারতীয় সেনা নয়, এবার নদীর জলের বাড়বাড়ন্ত ঘিরে বিকট চ্যালেঞ্জের মুখে চিনের সেনা। সূত্রের খবর, গালওয়ান এলাকার যে গালওয়ান নদীর তীরে সার বেঁধে চিন মোতায়েন করেছে লালফৌজ। এবার সেখানে ক্রমেই বাড়তে শুরু করেছে জলস্তর। যা ঘিরে প্লাবনের আশঙ্কা শুরু হয়েছে।

জল কেন বাড়ছে?
গালওয়ান নদীটি মূলত সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে। এটির উৎপত্তি আকসাই চিন। আর কয়েকদিন যাবৎ তাপমাত্রার পারদ চড়তে শুরু করায়, নদীর বরফ গলে গিয়ে জল বাড়তে শুরু করেছে। ফলে, আগ্রাসী চিনা সেনার ক্যাম্পে এখন আশঙ্কার মেঘ।

লাদাখে ৬০ দিন ধরে চাপা উত্তেজনা
লাদাখ সীমান্ত গত ৬০ দিন ধরে উত্তেজিত। চিনের আগ্রাসনের মুখে কড়া জবাব দিতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় সেনা। লাদাখ উপত্যকায় পাঠানো হয়েছে বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান থেকে ছোট নৌকা। যাতে ভারতীয় সেনার পদক্ষেপে সমস্যায় না হয়।

সমস্যায় পড়বে চিন
গালওয়ান ও গোগরা এলাকা, এবং প্যানগং কে যেভাবে চিনের সেনা মোতায়েন রয়েছে, তাতে তাদের আগ্রাসী মনোভাবই প্রকাশ পাচ্ছে। এতে ভারতীয় সেনা সূত্রের আশঙ্কা, খারাপ পরিস্থিতি শীতকাল পর্যন্ত যেতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রেও চিনের সেনা বহুস্তরীয় সমস্যায় পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

চিনের সঙ্গে টেক্কা দিতে ভারতের পদক্ষেপ
চিনকে টেক্কা দিতে ভারত এই মুহূর্তে, লাদাখে স্টিল বোট পাঠিয়েছে। উল্লেখ্য, গালওয়ান নদীর জল যেভাবে গলছে, তাতে চিনের সেনা ব্যাকফুটে যেতেই ভারতের স্টিলবোট কার্যকরী ভূমিকা নেবে প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে।












Click it and Unblock the Notifications