চিনের চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের পর ভারতের স্ট্র্যাটেজি কোনদিকে! লাদাখ পরিস্থিতি একনজরে
লাদাখে যেকোনও মূল্যে উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। দেশের বিদেশমন্ত্রী এক জয়শঙ্কর এককালে দেশের অন্যতম উচ্চপর্যায়ের আমলা ছিলেন। এবার তিনি ও অজিত ডোভাল দুজনে মিলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এমন অবস্থায় লাদাখে এই মুহূর্তে কী পরিস্থিতি দেখে নেওয়া যাক।

ফৌজরা পিছিয়ে যাচ্ছে
লাদাখে যেখানে দুই শিবিরের সংঘাত হয়েছিল সেখান থেকে ৬০০ মিটার পিছিয়ে গিয়েছে ভারত ও চিনের সেনা। ভারতের একের পর এক কূটনৈতিক তোপের পর এবার ক্রমাগত পিছু হঠতে শুরু করেছে চিন। দিল্লির চোখে চোখ রেখে যুদ্ধ করতে আসা বেজিং এই মুহূর্তে লাদাখে সম্পূর্ণ ব্যাকফুটে।

উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা
এর আগে, লাদাখে বারবার উত্তেজনা দানা বেঁধেছে। যারমদ্যে ১৫ জুনের ঘটনা সবচেয়ে মর্মান্তিক। ভারত নিজের ২০ জন বীর যোদ্ধা হারিয়েছে সেই যুদ্ধে। এরপর ববুবার সেনাস্তরের বৈঠক হলেও, সবচেয়ে কার্যকরী হয়েছে গত ২ সপ্তাহের কূটনৈতিক স্তরের বৈঠক। যেখানে বেজিংকে নাস্তানাবুদ করেছেন ডোভালের মতো কূটনীতিকরা।

বাফার জোন ও পেট্রোলিং
জানা যাচ্ছে, এলএসিতে এই মুহূর্তে বাফার জোন কে সেভাবে আমল দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে পেট্রোলিং আপাতত বন্ধ রয়েছে, যাতে উত্তেজনা কোনও দুর্ঘটনার দিকে না যায়।

২০ এপ্রিল ও বর্তমান পরিস্থিতি
২০ এপ্রিল চিনের সেনা কয়েকটি নির্মাণ কাজ শুরু করে সীমান্ত ঘেঁসা এলাকায়। সেখান থেকে তারা এখন অনেকটাই পিছনে গিয়েছেন বলে দাবি একাধিক সূত্রের। পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৫ ও পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৭ এর মতো এলাকা আপাতত আগের থেকে শান্ত। যদিও গালওয়ানের সার্বভৌম অধিকার নিয়ে নাছোড়বান্দা চিন। আর ভারতও নিজের এলাকা ছাড়তে একচুলও রাজি নয়।












Click it and Unblock the Notifications