পাঁচ জনকে নিকেশ করে অসমের জঙ্গলে ধরা পড়ল ‘লাদেন’
জঙ্গল তোলপাড় করেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তাকে। গোটা এলাকায় ত্রাস তৈরি করে রেখেছিল লাদেন। এক রত্তির হাতিকে ধরতে হিমসিম খাচ্ছিলেন বনদফতরের কর্মীরাও।
জঙ্গল তোলপাড় করেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তাকে। গোটা এলাকায় ত্রাস তৈরি করে রেখেছিল লাদেন। এক রত্তির হাতিকে ধরতে হিমসিম খাচ্ছিলেন বনদফতরের কর্মীরাও। ফাঁদ পেতেও ধরা যাচ্ছিল না তাঁকে। ইতিমধ্যেই ৫ জনকে মেরে ফেলেছিল লাদেন। এই হিংস্র স্বভাবের জন্যই বন কর্মীরা আল কায়দা জঙ্গি নেতা বিন লাদেনের নামের অনুকরণে তার নাম রেখেছিেলন লাদেন। অবশেষে বনকর্মীদের জালে ধরা পড়ল হাতিটি।

বনকর্মীদের জালে ‘লাদেন’
বনকর্মীরা ড্রোনের সাহায্যে তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিলেন। কিন্তু কোনওভাবেই তাকে বাগে আনতে পারছিলেন না বনকর্মীরা। এদিকে উত্তর অসমে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় রীতিমত দাপিয়ে বেরাচ্ছিল হাতিটি। শেষে কুনকি হাতির সাহায্য নেয় বনকর্মীরা। শেষে ঘুম পাড়ানি গুলি করে তাকে কাবু করা হয়।

গোয়ালপাড়ায় ৫ জনকে মেরেছে ‘লাদেন’
অসমের গোয়ালপাড়া জেলায রীতিমত ত্রাস হয়ে উঠেছিল ছোট্ট ‘লাদেন'। অক্টোবরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চারজনকে হত্যা করেছিল হাতিটি। লোকে আতঙ্কে ঘর থেকে বেরোন বন্ধ করে দিয়েছিল। এই নিয়ে বনদফতরে বিক্ষোভও দেখিয়েছিলেন বাসিন্দারা। তারপরেই ‘লাদেন'-র খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন বনকর্মীরা। কিন্তু কিছুতেই বনকর্মীদের কাছে ধরা দিচ্ছিল না হাতিটি। যদিও হাতির হানায় মৃত্যু গোয়ালপাড়ায় নতুন কোনও ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে হাতির হানায়।

হাতির হানায় মৃত্যু
ভারতের বিভিন্ন জায়গায় হাতির হানার মৃত্যু হয় অসংখ্য মানুষের। গত ৫ বছরে গোটা দেশে হাতির হানায় মৃত্যু হয়েছে ২৩০০ জনের। তার জেরে হাতির হত্যাও বেড়েছে। ২০১১ সাল থেকে ৭০০ হাতির হত্যার ঘটনা ঘটেছে গোটা দেশে। তার মধ্যে অধিকাংশই অবশ্য ট্রেনে কাটা পড়ে। কিছু আবার গ্রামবাসীদের আক্রমণেও মারা যায়। আবার বিদ্যুতের তারে আঘাত পেয়েও একাধিক হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।












Click it and Unblock the Notifications