প্রয়োজনে এসপি সিনহাকে গ্রেফতার করে জেরা করা হোক, SSC নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের
প্রয়োজনে এসপি সিনহাকে গ্রেফতার করে জেরা করা হোক, SSC নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের
এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এসপি সিনহাকে প্রয়োজনে গ্রেফতার করে জেরা করা হোক। সিবিআইকে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মন্তব্য করেেছন, এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহাই প্রধান কালপ্রিট। প্রয়োজনে তাঁকে জেলে পুরে জেরা করা হোক। পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে আদালত।

শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে প্রয়োজনে গ্রেফতারের নির্দেশ
এসএসসি দুর্নীতি মামলায় একের পর এক চমক কলকাতা হাইকোর্টে। একদিকে যখন একের পর এক ডিভিশন বেঞ্চ মামলার শুনানি এড়িয়ে গিয়েছে। তার ঠিক পরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একেবারে কড়া নির্দেশ দিয়েছে। যাকে বলে নজির বিহীন মন্তব্য করেছেন তিনিষ এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তি প্রসাদ সিনহাকে প্রয়োজনে গ্রেফতার করে বা জেলে ভরে জেরার কথা বলেছেন তিনি। এদিকে গতকালই শেষ হয়েছে শান্তি প্রসাদ সিনহার রক্ষাকবচ। কােজই তাঁকে গ্রেফতার করার আরও বাধা থাকছে না। আর এই মামলায় এসএসসির আরও চার উপদেষ্টাকে জেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের সম্পত্তির হিসেব জানাতে বলেছে আদালত।

সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ
রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হয়েছিল এসএসসির চার উপদেষ্টা। রক্ষাকবচ মেলা তো দূরের কথা উল্টে এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তি প্রসাদ সিনহাে সিবিআই দফতরে আজই হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুর ৩ টের মধ্যে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে হবে তাঁকে। সার্ভে পার্ক থানার ওসিকে সিবিআই দফতরে এসএসসি কর্তার হাজিরার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল এসএসসির চার উপদেষ্টাকে জেরা করে কি তথ্য পাওয়া গিয়েছে তার রিপোর্ট আজ আদালতে পেশ করেছে সিবিআই।

শুনানি ফেরালেন একের পর এক বিচারপতি
আজ এসএসসি মামলা নিয়ে একের পর এক বড় ঘটনা ঘটেছে আদালতে। গতকাল বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের বেঞ্চ মামলা থেকে সরে আসার পর প্রধান বিচারপতির কাছে গিয়েছিল মামলাটি। তিনি মামলার শুনানি বিচারপতি টিএস শিবাগনানম ও সব্যসাচী ভট্টাচার্যর বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু তাঁরাও মামলাটি শুনতে রাজি হননি। মামলাটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। ফের মামলািট প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে গেলে তিিন সৌমেন সেন ও বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়ের বেঞ্চ পাঠান। তাঁরাও মামলাটি শুনতে রাজি হননি।

চরম জটিল পরিস্থিতি
রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছে, 'সর্বোচ্চ অথরিটি জানিয়েছেন, এসএসসি মামলায় যত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁদের নিয়োগ বাতিল করতে অসুবিধা নেই। ওয়েট লিস্টে থাকবে তাদের নাম। বিচারপতি যা নির্দেশ দেবেন সেটাই মেনে নেওয়া হবে।' মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য তার প্রেক্ষিতে বলেন, 'এখানে তো এজি নেই, সরকারি আইনজীবী সর্বোচ্চ বলতে কাকে বোঝাচ্ছেন।?' তারপরে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, 'এই সর্বোচ্চ ব্যক্তি কে? যার নির্দেশ নিয়ে এসেছেন আপনি?'












Click it and Unblock the Notifications