নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভূস্বর্গে কাশ্মীরিরা কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে জেনে নিন
দীর্ঘদিন পর অবশেষে গত সপ্তাহে কাশ্মীরে পোস্টপেইড এবং প্রিপেইড মোবাইলের জন্য ২ জি ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। কেন্দ্র সরকার নির্বাচিত ৩০০টি ওয়েবসাইটেই শুধুমাত্র প্রবেশের অধিকার রয়েছে উপত্যকার মানুষের কাছে।

কালো তালিকায় একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
এই ক্ষেত্রে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিকে ইতিমধ্যেই কালো তালিকাভুক্ত করেছে সরকার। যদিও এরপরেও কাশ্মীরীদের সোশ্যাল মিডিয়ার ঠেকাতে পারেনি সরকার। সূত্রের খবর, বর্তমানে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের জন্য ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএনের সহায়তা নিচ্ছে।

দেদার ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ভিপিএনের
ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করার ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরকে সঠিক অবস্থান জানা সম্ভব হবে না সার্ভিস প্রোভাইডারের। তার ফলে একপ্রকার ছদ্মবেশেই ইচ্ছা মতো ‘লোকেশন' পরিবর্তন করে ফেসবুক সহ বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্ম গুলি ব্যবহার করতে পারেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। বর্তমানে কাশ্মীরিরাও ব্যাপক ভাবে এই পন্থার আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

যদিও এখনও কোনও বিতর্কিত পোস্ট করা হয়নি বলে জানাচ্ছে পুলিশ
এই প্রসঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের তরফে এক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, "উপত্যকার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এখন আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের জন্য তারা এখন ভিপিএনের ব্যবহারেরও ভয় পাচ্ছেন না।" এদিকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নতুন এই পন্থা যথেষ্ট মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পুলিশ-প্রশাসনের। পুলিশ এই পদ্ধতিতে রাশ টানার জন্য নতুন পদ্ধতি খুঁজছে বলে জানা গেছে।
যদিও নতুন করে ২জি পরিষেবা পুনরুদ্ধারের পরও এখনও পর্যন্ত উপত্যকার কোনও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও বিতর্কিত পোস্ট আপলোড করেনি। এমনটাই জানাচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications