মমতার দিল্লি সফরে কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ দিলেন দু’বারের সাংসদ কীর্তি আজাদ
মমতার দিল্লি সফরে কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ দিলেন দু’বারের সাংসদ কীর্তি আজাদ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি সফরে এসে ভাঙন ধরালেন কংগ্রেসেও। কংগ্রেস নেতা কীর্তি আজাদ য়োগ দিলেন তৃণমূলে। দিল্লিতে এসে কংগ্রেসে ফাটল ধরিয়ে তিনি বিরোধী ঐক্যের সম্ভাবনায় একপ্রকার শেষ পেরেক পুতে দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপির সুধীন্দ্র কুলকার্নি, জেডিইউয়ের পবন বর্মার পর কংগ্রেসের কীর্তি আজাদও তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন।

জনপ্রিয় মুখের দিল্লিতে যোগদান তৃণমূলে
মমতার দিল্লি সফরে তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয়স্তরে শক্তিবৃদ্ধি করতে প্রাক্তন সাংসদ ও জনপ্রিয় মুখদের যোগদান করালেন দলে। শুধু কীর্তি আজাদ নয় রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ অশোক তানোয়ারও যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে। দিল্লিতে এসে কংগ্রেস নেতাদের ভাঙিয়ে নিজের দলে যোগদান করানো খুব ভালোভাবে নেবে না কংগ্রেসও

গো-বলয়ের তিনজন নেতা তৃণমূলে
মঙ্গলবারই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন কীর্তি আজাদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের মধ্যেই তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তারপর ডেরেক ও'ব্রায়েন তাঁকে স্বাগত জানান তৃণমূলে। এদিন গো-বলয়ের তিনজন নেতা যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। ফলে গো-বলয়ে এবার ইউনিট গড়তে চলেছে তৃণমূল, তাও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

জাতীয় স্তরে কংগ্রেসে ভাঙন ধরাচ্ছে তৃণমূল
দিল্লি গিয়ে কংগ্রেসকে বড়সড় ধাক্কা দিল তৃণমূল। মমতার এই অবস্থানে বিরোধী ঐক্য ফের প্রশ্নের মুখে দাঁড়াতে চলেছে। উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের আগে দু-বারের বিজেপি সাংসদকে দলে নিয়ে কংগ্রেসে ভাঙন ধরালেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ইতিমধ্যে জাতীয় স্তরের একাধিক নেতাকে দলে নিয়েছে তৃণমূল। সুস্মিতা দেব, লুইজিনহো পেলেইরোর মতো নেতারা কংগ্রেস ছেড়ে এসেছেন তৃণমূলে। এবার জাতীয় স্তরের আর এক নেতা কীর্তি আজাদকে ভাঙিয়ে আনলেন কংগ্রেস থেকে।

কীর্তি বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন ২০১৯-এ
কীর্তি আজাদ বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে। কংগ্রেসের টিকিটে তিনি ধানবাদ কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়েছিলেন। কিন্তু ৪.৮ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে তিনি হার মানেন বিজেপি প্রার্থীর কাছে। এর আগে তিনি দুবার সাংসদ নিযুক্ত হন বিজেপির টিকিটে। তিনি ২০১৪ সালে বিহারের দ্বারভাঙা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেস হয়ে তৃণমূলে কীর্তি
কীর্তি আজাদ বিজেপি থেকে সাসপেন্ড হন ২০১৫ সালে। দিল্লি ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়শনের দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে অরুণ জেটলির হয়ে মুখ খুলেছিলেন তিনি। তারপরই দল তাঁকে সাসপেন্ড করে। এরপর তিনি কংগ্রেসের দিকে ঝোঁকেন। কিছুদিন রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পর তিনি ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসে যোগ দেন। তার আগে কীর্তি আজাদের স্ত্রী পুনম আজাদ বিজেপি ছেড়ে যোগ দেন আম আদমি পার্টিতে। ২০১৬ সালে তিনি আম আদমি পার্টিতে যোগ দেওয়া পরের বছরই অর্থাৎ ২০১৭ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে কীর্তি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে কাজ করব, দল যে দায়িত্ব দেবে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।












Click it and Unblock the Notifications