৬০ বছর শাসন করেছে! রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের ক্ষমা চাওয়া উচিত: কিরেন রিজিজু
বর্ষাকালীন অধিবেশন। সংসদে চলছে মণিপুর নিয়ে অনাস্থা প্রস্তাবের ওপরে আলোচনা। এদিন রাহুল গান্ধীর বক্তব্য প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য সম্পূর্ণ রূপে দায়ী কংগ্রেস।
এদিন দলের তরফে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিশ্বাসঘাতক বলে আক্রমণ করেন। তিনি কেন্দ্রের মোদী সরকার ও বিজেপিরও কড়া সমালোচনা করেন। মণিপুরে হিংসা নিয়ে তিনি শাসকদের কড়া আক্রমণ করেন।

রাহুল গান্ধী বলেন, তিনি কয়েকদিন আগে মণিপুরে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী যাননি। আজও যাননি, কারণ মণিপুর ভারতের নয়। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মণিপুরকে দুভাগে ভাগ করেছেন। মণিপুরে ভারতমাতাকে হত্যা করেছেন। রাহুল গান্ধী কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, দেশের প্রতি কোনও ভালবাসা নেই প্রধানমন্ত্রীর।
পাল্টা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেছেন। রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের পরে উঠে দাঁড়ান কিরেন রিজিজু। তিনি প্রশ্ন করেন রাহুল গান্ধী ঠিক কী সম্পর্কে কথা বলছেন? তিনি অভিযোগ করেন, উত্তর-পূর্ব ভারতে বহু বছর ধরে যে সব ঘটনা ঘটে চলেছে, তার জন্য কংগ্রেস দায়ী।

রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের জন্য কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেন কিরেণ রিজিজু। তিনি অভিযোগ করেন, ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে কংগ্রেস দেশ শাসন করেছে। যে কারণে উত্তর-পূর্ব ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কংগ্রেস সম্পূর্ণরূপে দায়ী। উত্তর-পূর্ব ভারতে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এবং নকশাল সংগঠনগুলির জন্য দায়ী কংগ্রেস।
এদিন রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের পরেই লোকসভায় তোলপাড় হয়। ক্ষমতাসীন ও বিরোধীরা পরস্পরের মুখোমুখি হয়। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা হাউসে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানান। তিনি বলেন হাউসে সদস্যদের আচরণ উপযুক্ত নয়।
উল্লেখ করা যেতে পারে বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে উত্তর-পূর্বের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য কিরেন রিজিজু আক্রমণ শানাচ্ছেন। তিনি বলেন, ২০০৪ সালে তিনি যখন প্রথম সাংসদ হয়েছিলেন, তখন দিল্লির লোকেরা জানত না অরুণাচল কোথায় অবস্থিত। কিন্তু ২০১৪ সালের পর থেকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications