ভ্যাকসিন ঘাটতি মেটাতে রাজ্যে স্পুটনিক ভি তৈরির প্ল্যান্ট তৈরি করতে ইচ্ছুক কেরল, চলছে আলোচনা
স্পুটনিক ভি তৈরির প্ল্যান্ট তৈরি করতে ইচ্ছুক কেরল
রাশিয়ার করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন স্পুটনিক ভি এবার নিজের রাজ্যে তৈরি করতে আগ্রহ দেখালো পিনারাই বিজয়নের রাজ্য কেরল। ইতিমধ্যেই এ প্রসঙ্গে কেরল সরকার রাশিয়ার ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (আরডিআইএফ) সঙ্গে এ রাজ্যে স্পুটনিক ভি প্রস্তুতের জন্য প্ল্যান্ট তৈরি নিয়ে কথাবার্তা শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছেন শিল্প মন্ত্রী পি রাজীব।

রাজ্যে ভ্যাকসিনের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্য
কেরলে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ঘাটতি দেখা দেওয়ার জন্যই এই নির্মাণ ইউনিট তৈরি করা নিয়ে রাশিয়া ও কেরল সরকার আলোচনা করেছেন। মন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেছেন, 'মুখ্য সচিব ও অন্যান্য সরকারি অধিকর্তারা রাশিয়ার সরকার, সম্মানীয় কনসুল জেনারেল ও আরডিআইএফের সঙ্গে এ প্রসঙ্গে আলোচনা চলছে। আমরা মনে করছি যে কিছুদিনের মধ্যেই আমরা এই উদ্দেশ্যে সফল হতে পারব।'

ভ্যাকসিন তৈরির জায়গা
শিল্প মন্ত্রী এও জানিয়েছেন যে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যে সব ওষুধ সংস্থাগুলি ভ্যাকসিন প্রস্তুতের জন্য রাজি থাকবে তাদের এই প্রস্তাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, 'প্রথমে আমরা এই দায়িত্ব দিয়েছিলাম কেএসডিপির (কেরল স্টেট ড্রাগ অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড) ওপর। রাজ্য সরকার দ্বারা গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ভ্যাকসিন প্রস্তুতের ইউনিট তৈরি করার জন্য আদর্শ জায়গা থোন্নাককালের লাইফ সায়েন্স পার্কের জমি।' মন্ত্রীর মতে এই পদক্ষেপের ফলে কেরলবাসী অনেক সুবিধা পাবেন। তবে এর বেশি কিছু বলতে চাননি মন্ত্রী শুধু এটুকু জানিয়েছেন যে আলোচনার পথে রয়েছে কেরল।

ডেল্টার ওপর কার্যকর স্পুটনিক ভি
অন্যদিকে ডেল্টা সহ করোনার নয়া প্রজাতির বিরুদ্ধে কার্যকর রাশিয়ার এই স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিন। আরডিআইএফ জানিয়েছে যে সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছ যে বহুক্ষেত্রে অন্যান্য টিকার তুলনায় ডেল্টা এবং নয়া প্রজাতির বিরুদ্ধে বেশি সফল রুশ টিকা স্পুটনিক ভি।

সেপ্টেম্বর থেকে ভারতে প্রস্তুত হবে এই ভ্যাকসিন
ইতিমধ্যেই সেপ্টেম্বর থেকে ভারতেই তৈরি হবে স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিন। সিরাম ইনস্টিটিউটে সেপ্টেম্বর মাস থেকেই শুরু হবে স্পুটনিক ভি-এর উৎপাদন। কোভিশিল্ডের পর দ্বিতীয় বিদেশি করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে চলেছে সিআইআই। রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের তরফে জানানো হয়েছে বছরে ৩০ কোটি করোনা টিকা ভারতে উৎপাদন করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা। সিরাম ইনস্টিটিউটের কর্নধার আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যেই রাশিয়ার করোনা টিকার প্রথম ব্যাচ আসবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১৬ থেকে ১৮ কোটি টাকার করোনা টিকা পেয়ে যাবে দেশ।












Click it and Unblock the Notifications