CAA: সিএএ নিয়ে সুর বদল বিজয়ন সরকারের, আইন আটকাতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে কেরল
সিএএ নিয়ে কেন্দ্রের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। রাজনৈতিক বিরোধিতা সিএএ লাগু হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছিল। শনিবারই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ), ২০১৯ প্রয়োগ স্থগিত করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। এবার সিএএ লাগু করতে গিয়ে প্রশাসনিক বিরোধিতার মুখে পড়তে হবে মোদী সরকার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই সিএএ বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও মমতার সঙ্গে একসুরে সিএএ বিরোধি্তায় সরব হলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সিএএ র বিরুদ্ধে প্রথম সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেরল সরকার। সিএএ কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাবে দেশের একমাত্র বাম শাসিত রাজ্য কেরল। এমনকি প্রশাসনিকভাবেও যে এই আইনের বিরোধিতা করবে তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।
কেরল প্রথম রাজ্য ছিল যারা বিধানসভায় সিএএ-র বিরুদ্ধে রেজোলিউশন এনেছিল। এবারও প্রথম রাজ্য হিসাবে এটা বলবৎ না করানোর দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল। কেরল সরকারের মতে, সংবিধানের ১৪, ২১ ও ২৫ ধারায় দেশের নাগরিকদের যে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, তা লঙ্ঘিত হবে সিএএ-র কারণে।
কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন তার রাজ্যে এই আইন প্রয়োগ করা হবে না। বিবৃতিতে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন , ''সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে মুসলিম সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বিবেচনা করা হয়েছে। কেরলে এই আইন প্রয়োগ করা হবে না। কেরল একজোটে এই সাম্প্রদায়িক বিভাজনের আইনকে প্রতিহত করবে।''
বাংলাদেশ,পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান এই তিন দেশের সংখ্যালঘু শরনার্থীদের শুধু আশ্রয় নয় একইসঙ্গে নাগরিকত্বও দেবে ভারত সরকার।সিএএ অনুসারে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে মুসলিম বাদে ধর্ম- হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের যে সব মানুষ প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে ভারতে এসেছেন, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
বিজয়ন বলেছেন, ''এর আগে রাজ্য ঘোষণা করেছিল যে জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জী বা এনপিআর কেরালায় প্রয়োগ করা হবে না। সিএএ-এর অসাংবিধানিক চরিত্র নির্দিষ্ট করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। রাজ্যবাসী দীর্ঘ রাস্তায় মানববন্ধনও করেছেন।''












Click it and Unblock the Notifications