কূটনৈতিক রক্ষা কবচের আড়ালে ২৩০ কেজি সোনা গোপনে পাচার হয়েছে কেরলে! হাড়হিম করা তথ্য উঠতে শুরু করেছে
কূটনৈতিক রক্ষা কবচের আড়ালে ২৩০ কেজি সোনা গোপনে পাচার হয়েছে কেরলে! হাড়হিম করা তথ্য উঠতে শুরু করেছে
সাম্প্রতিককালে অন্যতম সবচেয়ে বড় অপরাধের ঘটনা হিসাবে ক্রমেই হাইভোল্টেজ হয়ে উঠছে কেরলের সোনা পাচার কাণ্ড। সোনার উজ্জ্বল দিকের আড়ালের অন্ধকার জগতের লালসা ও অপরাধের দিক ক্রমেই প্রকাশ পেতে শুরু করেছে গোয়ান্দাদের নতুন অপরেশনে। যে ঘটনার সূত্রপাত কেরলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোনা পাচারের চক্র উদ্ধারের হাত ধরে।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রক্ষণশীলতার আড়ালে ...
কেরলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তিরুঅনন্তপুরমে কি শুধুমাত্র ৩০ কেজি সোনাই পাচার হচ্ছিল? না! গোয়েন্দারা বলছেন সেখানে ২৮০ কেজি সোনা পাচার হয়েছে। আর সোনার এই পরিমাণ প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনিক কিছু রাঘব বোয়ালের নাম এবার উঠে আসতে শুরু করেছে কেরল-সোনা পাচার কাণ্ডে। যার সম্পূর্ণটাই হয়েছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রক্ষাকবচের আওতায়।

আমিরশাহি ও সোনা পাচার
জানা গিয়েছে, আমিরশাহির উপদূতাবাসের কিছু কর্মীর হাত ধরে কেরলে সোনা পাচার হচ্ছিল। যার সঙ্গে নাম জড়িয়েছে কেরলের বাম সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সচিবদের। তাঁদের আবগারী দফতর ও এনআইএ দুই শিবির মিলে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

কেন ধরা পড়েনি?
ভারতীয় গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ২৫ জুন থেকে ৩ জুলাইয়ের মধ্যে সোনা বোঝাই তিনটি ব্যাগ আমিরশাহি থেকে ভারতে আসে। আর তা আসে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে। কখনও ব্যাগ এসেছে আমেরিশাহির ডেপুটি কনসাল জেনারেলের নামে, কখনও আবার উপদূতাবাসের আধিকারিকের নামে। ফলে তাতে কূটনৈতিক রক্ষাকবচ থাকায়, তা খুলে দেখা হয়নি।

স্বপ্না সুরেশ ও হাইপ্রোফাইল সোনা পাচার
জানা গিয়েছে, এই হাইপ্রোফাইল সোনা পাচারের ঘটনায় এক নামী সংস্থার প্রভাবশালী মহিলাকর্মী স্বপ্না সুরেশ যুক্ত। এছাড়াও কেরল সরকারের পদস্থ কর্তা সরিত ও যুক্ত রয়েছেন, বলে অভিযোগ। সবমিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications