আদালতে ধাক্কার পরেও অনড়! দুই কারণে 'বাধা', ফের প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি জানতে চাইলেন কেজরিওয়াল
প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি নিয়ে নিজের দাবি দ্বিগুণ করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুক্রবার গুজরাত হাইকোর্ট বলেছিল প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির বিবরণের প্রয়োজন নেই। এনিয়ে মামলা করার জন্য অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জরিমানাও করেছিল আদালত।

অবস্থানে অনড় কেজরিওয়াল
এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, গুজরাত হাইকোর্টের আদেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলেছে। তিনি আরও বলেছেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ যে প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষিত হতে হয়। কেননা তাঁকে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

ডিগ্রি প্রকাশ না করার পিছনে ২ কারণ
অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ না করার পিছনে দুই কারণ থাকতে পারে। একটি ঔদ্ধত্যের কারণে। আরেকটি হতে পারে তাঁর ডিগ্রি জাল। প্রসঙ্গত শুক্রবার গুজরাত হাইকোর্ট শুক্রবার মোদীর ডিগ্রির বিবরণ প্রকাশ করতে গুজরাত হাইকোর্টকে দেওয়া আদেশ খারিজ করে দিয়েছে।

অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জরিমানা
গুজরাত হাইকোর্টের বিচারপতি বীরেন বৈষ্ণব দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন খারিজ করার পাশাপাশি তাঁকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। পাশাপাশি ৪ সপ্তাহের মধ্যে জরিমানার টাকা জমা দিতে নির্দেশও দিয়েছে আদালত। বিচারপতি বলেছেন, সবার সামনেই যথন বিষয়টি রয়েছে, সেই সময় আরটিআইয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানার দাবি কেজরিওয়ালের সততা এবং উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি করে।

২০১৬ সালের আবেদন
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার বিস্তারিত বিবরণ জানতে আম আদমি পার্টির নেতা আরটিআই করেছিলেন। তৎকালীন কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনার শ্রীধর আচার্যুলু গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়কে মোদীর স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপরে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ডিগ্রি প্রকাশ করেছিল। পাশাপাশি নীতিগত বিষয় গিসেবে তথ্য কমিশনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেছিল।

গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্তি
আদালতে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, দুটি বিশ্ববিদ্যালয়কে তথ্য প্রকাশে বাধ্য করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেছিলেন, কারও শিশুসুলভ এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন কৌতূহল মেটানোর জন্য তথ্য সরবরাহ করতে বলা ঠিক নয়।

বিজেপির অবস্থান
কেজরিওয়াল প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করছেন। ডিগ্রি ইস্যুতে এমনটাই অভিযোগ করেছে বিজেপি। হতাশা থেকেই কেজরিওয়াল এইসব কাজ করছেন বলে মনে করছে বিজেপি। দলের মন্ত্রীরা দুর্নীতি আর মদ কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে জেরে থাকায় কেজরিওয়াল হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications