ছবি : আপ-বিজেপি সংঘর্ষের জন্য ক্ষমা চাইলেন কেজরিওয়াল, এফআইআর-এ শীর্ষ আপ নেতাদের নাম

ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করলেও এই সংঘর্যের পিছনে বিজেপিকেই দায়ী করেছেন কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, আপ সমর্থক ও কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবেই প্রতিবাদ করছিল। কিন্তু বিজেপি সমর্থকদের ছোড়া দু-একটি পাথরের পরই বোধহয় আফ কর্মীরা পাল্টা আক্রমণ করেছেন। কিন্তু তবু সেটা উচিত নয়, দলের তরফে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আপ কর্মী ও সমর্কদের আনুরোধও করেন তিনি।
আপ-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনায় আপ নেতা আশুতোষ ও সাজিয়া ইলমির নাম এফআইআর-এ
মূলত মোদীর রাজ্যে কতটা উন্নয়ন হয়েছে তা দেখতেই গুজরাত সফর করেছিলেন কেজরিওয়াল। সে প্রসঙ্গে তাঁর জবাব, আমরা গুজরাতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখেছি, মোদী যতই দাবি করুন কোনও উন্নয়নই হয়নি এ রাজ্যের। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির কোনও পরিকাঠামো নেই।
দলের প্রবীন নেতা প্রশান্ত ভূষণ বলেন, আপের কোনও নেতার বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর করা হয়নি। তবে দিল্লি পুলিশ যেভাবে আপের দুই সদস্যকে পিটিয়েছে তাতে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে আপ একটি অভিযোগ দায়ের করবে বলে জানিয়েছেন প্রশান্ত।
এদিকে আপ বিধায়ক জগদীপ সিং গোটা ঘটনার দায় নরেন্দ্র মোদীর উপর চাপিয়েছেন। তিনি বলেন, গতকাল যা যা হয়েছে তার পিছনে নরেন্দ্র মোদীর হাত রয়েছে। বিজেপি চায় না গুজরাটের বাস্তব চিত্রটা জনসমক্ষে চলে আসুক।
বুধবার কেজরিওয়ালকে আটক করার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। বিক্ষুব্ধদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান দাগে পুলিশ। এই ঘটনায় দু'দলের কমপক্ষে ২৮ জন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও গুজরাট পুলিশের তরফে জানানো হয়েছ, কেজরিওয়ালকে কখনওই আটক করা হয়নি। সাধারণ আচরণবিধি মেনে রোড শো-এর জন্য কেন কেজরিওয়াল অনুমতি চাননি শুধু তাই জানতে চাওয়া হয়েছিল।
এদিকে আপ-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনায় আপ নেতা আশুতোষ ও সাজিয়া ইলমির নাম এফআইআর-এ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বলা হয়েছে, দাঙ্গা ও সম্পত্তি নষ্টের জ্ন্য দায়ী এরা। এছাড়াও মোট ১৪ জন আপ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এফআিআর-এ যাদের নাম রয়েছে তাদেরকেও গ্রেফতার করা হবে বলে দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। যদিও এফআইআর-এর তালিকায় বিজেপি নেতাদের কারও নাম নেই বলেও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
{photo-feature}












Click it and Unblock the Notifications