ডিসেম্বরের মধ্যে গোটা দেশকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব! গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আশা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
খুব শিঘ্রই দেশজুড়ে তৃতীয় ওয়েভের তান্ডব শুরু হয়ে যাবে। আগামী আর সাত থেকে আট সপ্তাহের মধ্যেই তৃতীয় ওয়েভের সংক্রমণ শুরু হয়ে যাবে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন খোদ এইমসের অধিকর্তা। তাঁর মতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে সংক্রম
খুব শিঘ্রই দেশজুড়ে তৃতীয় ওয়েভের তান্ডব শুরু হয়ে যাবে। আগামী আর সাত থেকে আট সপ্তাহের মধ্যেই তৃতীয় ওয়েভের সংক্রমণ শুরু হয়ে যাবে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন খোদ এইমসের অধিকর্তা। তাঁর মতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে সংক্রমণের শিখরে পৌঁছে যাবে অবস্থা।

এই পরিস্থিতিতে অর্থাৎ থার্ড ওয়েভের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে করোনার ভ্যাকসিন। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে আইএসএমআর। শুধু আইএসএমআর নয়, গবেষকদের দাবি, তৃতীয় ওয়েভের ধাক্কা সামলাতে দ্রুত গতিতে উচিৎ ভ্যাকসিন দেওয়া।
এই অবস্থায় আজ ভ্যাকসিন নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সমস্ত আধিকারিকদের নিয়ে এই বৈঠক হয়। যেখানে গোটা দেশে এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনেশন কোন পর্যায়ে রয়েছে তা নিয়ে এদিন খুঁটিনাটি সমস্ত তথ্য আধিকারিকদের কাছ থেকে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে ১৮ বছর উর্ধে সবাইকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ২১ তারিখ থেকে সেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু ভ্যাকসিন সব জায়গাতে সমান ভাবে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিরোধীদের।
ফলে ভ্যাকসিন সময় মতো সবাইকে দেওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। এই অবস্থায় আজ বৈঠকে সমস্ত বিষয় নিয়ে খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ভ্যাকসিনের পাশাপাশি এই মুহূর্তে ভারতে ডেল্টা, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।
ইতিমধ্যে একাধিক রাজ্যে এই সংক্রমণের আঁচ পাওয়া গিয়েছে। সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আধিকারিকদের কাছ থেকে তথ্য নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই গোটা দেশকে ভ্যাকসিন দেওয়ার সঙ্কল্প নিয়েছে মোদী সরকার। বর্তমানে ভারতের হাতে যে পরিমাণ ভ্যাকসিনের ডোজ আছে তাতে সেই সঙ্কল্প পুরণ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, যেভাবে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার গতি বেড়েছে তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, টেস্টের পরিমাণ কখনও কমানো যাবে না। কারণ টেস্ট -ই হল করোনা নিয়ন্ত্রণে বড় একটা অস্ত্র। ফলে প্রত্যেক রাজ্যকে এই বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications