Kedarnath: কেদারনাথ মন্দিরে সোনা চুরি! কতটা সত্যি অভিযোগ? কী বলছে মন্দির কমিটি
কেদারনাথ মন্দিরের ২৩০ কেজি সোনার হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছিলেন জ্যোতিষপিঠের স্বামী মুক্তেশ্বরানন্দ শঙ্করাচার্য। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে মন্দিরে চরম দুর্নীতি চলছে। ২২৮ কেজি সোনা পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এই অভিযোগ ঠিক নয় বলে দাবি করেছে কেদারনাথ মন্দির ট্রাস্ট।
সম্প্রতি কেজারনাথ মন্দিরের চূড়া সোনা দিয়ে মোড়ানো হয়েছে। তাতে মন্দিরের কোষাগার থেকে ২৩ কেজি সোনা তামার সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্দির ট্রাস্ট। এবং এই তথ্য তারা গোপন করেনি। সব হিসেবই প্রকাশ করা হয়েছে। ১০০০ কেজি তামার পাত ব্যবহার করা হয়েছে মন্দিরের চূড়া নির্মাণে।

উল্টে কেদারনাথ মন্দির ট্রাস্টের প্রধান অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস এই সব গুজব ছড়াচ্ছে। রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে কংগ্রেস এই সব রটনা করছে। সামনেই কেদারনাথে উপনির্বাচন। বিজেপিকে অদস্থ করতেই এই সব গুজব ছড়াচ্ছে কংগ্রেস। এর কোনও সত্যতা নেই বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। হিন্দুদের চার ধামের মধ্যে অন্যতম কেদারনাথ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একাধিকবার কেদার যাত্রা করেছেন।
বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস ষড়যন্ত্র করতে এই সব গুজব ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে কেদারনাথ মন্দির ট্রাস্টের প্রধান। তিনি জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের চার ধামের মধ্যে কেদারনাথকে সবচেয়ে জাগ্রত বলা হয়ে থাকে। এবং প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী সমাগম হয় কেদারনাথে। সেই পবিত্র ভূমিকে বদনামের চেষ্টা করছে কংগ্রেস। এমনই অভিযোগ করেছে মন্দির ট্রাস্ট।
এই অভিযোগ আসার পর উত্তরাখণ্ড সরকার গতমাসে একটি তদন্তকারী প্যানেল গঠন করেছিল। উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেস তারপরে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে বলে জানানো হয়েছিল। তার আগেই মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications