মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কেদারনাথ, আটকে ২০০ তীর্থযাত্রী
কেদারনাথে আবারও মেঘ ভাঙা বৃষ্টি। আর তাতেই বিধ্বস্ত পর্যস্ত গোটা কেদারনাথ এলাকা। মন্দাকিনী নদীর জল বিপদসীমা দিয়ে বইতে শুরু করেছে। আটকে রয়েছেন দুশো জন তীর্থযাত্রী। তাদের উদ্ধার করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বলে খবর।
উত্তরাখণ্ড জুড়ে ভারী বৃষ্টি চলছে। হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে পাহাড়ি এই রাজ্যে। বিভিন্ন জায়গায় বিপর্যয়ের খবর আসছে। বহু মানুষ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। প্রাণহানির সংখ্যা কত হবে? এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তার মধ্যেই আরও দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে কেদারনাথের পরিস্থিতি। যে কোনও সময় আরও বড় দুর্যোগ নেমে আসতে পারে কেদারনাথে ৷

দিল্লির মৌসম ভবন আগেই অশনি সংকেত দিয়েছিল। বুধবার রাত থেকেই কেদারনাথ জুড়ে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। কেদারনাথের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর। রাতেই প্রশাসনের তরফ থেকে মাইকিং শুরু হয়। বৃষ্টির মধ্যেই উদ্ধার কাজ চলতে থাকে। বহু মানুষকেই কিছুটা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।
কেদারনাথ যাওয়ার ভীম বালির রাস্তা বিপর্যস্ত। মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ৩০ মিটার রাস্তা সম্পূর্ণ ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। ফলে ওই রাস্তা দিয়ে আর চলাচল সম্ভব নয়। তার মধ্যেই দুশ্চিন্তা ঘনিয়েছে। ২০০ জন পর্যটক, তীর্থযাত্রী আটকে পড়েছেন কেদারনাথে৷ আরও কত জন আটকে রয়েছেন তার সন্ধান চলছে। তাদের উদ্ধারের জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের টিম ও স্থানীয় প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।
নীচ থেকে উপরে কোনও তীর্থযাত্রীকে আর উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। কেদারনাথ যাওয়ার রাস্তা এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে। তীর্থযাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছে বলে খবর। তীর্থ যাত্রীদের নিরাপদ জায়গায় থাকতে বার্তা দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। আগামী ৪৮ ঘন্টা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জারি করা রয়েছে। ফলে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হবে? সেই আন্দাজ করা শুরু হয়েছে।
মন্দাকিনী নদী তীব্র গতিতে বইছে। গঙ্গাতেও প্রবল জলস্রোত। এই দুই নদী কতটা ভয়াবহ রূপ নেবে? আবারও কি দুকূল ছাপিয়ে বানভাসি হবে এই দুই নদী? সেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। নদীর তীরবর্তী সব এলাকা ফাঁকা করার কাজ চলছে। দেবভূমি কেদারনাথে আবারও কি বড় বিপর্যয় দেখা দেবে? সেই আশঙ্কা দানা বাঁধছে।












Click it and Unblock the Notifications