কংগ্রেসে যোগ দেবেন কেসিআরের দলের ৩৫ নেতা! তেলেঙ্গানা নির্বাচনের আগেই ধামাকা
তেলেঙ্গানা নির্বাচনের আগেই ধামাকা ঘটাতে চলেছে কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ২০২৩-এ তেলেঙ্গানায় নির্বাচনের আগেই কংগ্রেসে যোগ দেবেন কেসিআরের দলের ৩৫ নেতা! ভারত রাষ্ট্র সমিতিতে ভাঙন ধরানোর বার্তা দিয়ে কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে একটি দল রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে দেখা করেছেন।
কর্নাটক নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর রাহুল গান্ধী জানিয়েছিলেন এবার তাঁদের টার্গেট আগামী চার রাজ্যের নির্বাচনের জয়। সেখানে রাজস্থান ও ছত্তিশগড় ধরে রাখার পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নেওয়া লক্ষ্যমাত্রা যেমন ছিল, তেমনই ছিল তেলেঙ্গানায় পুনরায় কংগ্রেসের ক্ষমতায়নের কথা।

তখনই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয় কোন অঙ্কে রাহুল গান্ধী তেলেঙ্গানা দখলের কথা বলছেন? বর্তমানে কেসিআরের দলের ৩৫ নেতাকে কংগ্রেসের টার্গেটে সেই অঙ্ক অনেকটাই স্পষ্ট হচ্ছে। সম্প্রতি প্রাক্তন বিআরএস নেতা পঙ্গুলেতি শ্রীনিবাস রেড্ডি ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জুপল্লী কৃষ্ণ রাওয়ের নেতৃত্বে একটি দলটি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে।
তেলেঙ্গানায় কেসিআর বা কে চন্দ্রশেখর রাও-এর ভারত রাষ্ট্র সমিতির ৩৫ নেতাকে নিয়ে এ বছরের শেষে রাজ্য নির্বাচনের আগেই ধামাকা যোগদান মেলা করতে পারে কংগ্রেস। শুধু কেসিআরের দলের নেতারই নন, কংগ্রেসের টার্গেট রয়েছে বিজেপিরও কতিপয় নেতা। মোট কথা তেলেঙ্গানায় আবার পূর্ণ উদ্যমে ফিরতে চাইছে কংগ্রেস।

সূত্রের খবর, পঙ্গুলেতি শ্রীনিবাস রেড্ডি এবং জুপল্লী কৃষ্ণ রাও উভয়ই তাঁদের অনুগামীদের নিয়ে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। এমনও জানা গিয়েছে, খাম্মামে একটি জনসভায় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তাঁরা যোগ দিতে পারেন।
তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতা ভাট্টি বিক্রমার্কা পদযাত্রা শুরু করেছেন রাজ্যজুড়ে। তাঁর পদযাত্রার সমাপ্তি অনুষ্ঠানেই এই ধামাকা ঘটানোর অপেক্ষায় রয়েছে কংগ্রেস। এখানে উল্লেখ্য, পঙ্গুলেতি শ্রীনিবাস রেড্ডি এবং জুপল্লী কৃষ্ণ রাও উভয়কেই এপ্রিল মাসে পার্টি বিরোধী কার্যকলাপের জন্য বিআরএস থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

এখানে উল্লেখ্য, বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়ই এই দুই নেতাকে দলে নিতে আগ্রহী ছিল। কিন্তু তাঁরা কংগ্রেসকে বেছে নিয়েছে। কংগ্রেসকে বেছে নেওয়ার পেছনে উভয়েরই নিজস্ব রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। এই যোগদানের ফলে তেলেঙ্গানায় কংগ্রেস মনোবলের যথেষ্ট বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কর্নাটকে জয়ের পরে গতি পেয়েছে কংগ্রেসের রথ। সেই রথ কংগ্রেস এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত। আর তা করতে গেলে আগামী নির্বাচনগুলি জিততে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই কংগ্রেস এগিয়ে চলেছে। এ অগ্রগমন ধরে রাখাই এখন কংগ্রেসের লক্ষ্য।












Click it and Unblock the Notifications