কেসি আর, কংগ্রেস প্রার্থীকে চাপে রাখলেন কাতিপল্লী ভেঙ্কটা রমনা রেড্ডি, কে তিনি জানেন?
তেলেঙ্গানার নির্বাচনী ফল এবার পক্ষে যায়নি কেসি আরের। ট্রেন্ড বলছে কংগ্রেস তেলেঙ্গানায় সরকার তৈরি করবে। তেলেঙ্গানা ইস্যুকে সামনে রেখে চন্দ্রশেখর রাও রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে এক নাম হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনি নিজেও পিছিয়ে রয়েছেন। তেলেঙ্গানার পাঁচ বছরের মুখ্যমন্ত্রী তিনি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি ভোটের গণনার নিরিখে পিছিয়ে আছেন। তেলেঙ্গানার অতি মর্যাদাপূর্ণ কেন্দ্র হল কামারেডি বিধানসভা। ওই কেন্দ্রের দিকে গোটা রাজ্যের নজর রয়েছে। ত্রিমুখী লড়াই ওই কেন্দ্রে। বিজেপির হয়ে নির্বাচনে লড়াই করছেন কাতিপল্লী ভেঙ্কটা রমনা রেড্ডি। ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস) এর হয়ে এখানে প্রার্থী চন্দ্রশেখর রাও। রাজ্যের কংগ্রেসের প্রধান এ রেবন্ত রেড্ডি দলের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন।

কিন্তু সর্বশেষ খবর বলেছে এই দুই রাজনৈতিক হেবিওয়েটের থেকেই এগিয়ে আছেন বিজেপির কাতিপল্লী ভেঙ্কটা রমনা রেড্ডি। কাতিপল্লী ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এরপর প্রায় ৪৭ হাজার ভোট পেয়েছেন কেসি আর। রেভান্থ রেড্ডি ৪৫ হাজারের সামান্য বেশি ভোট পেয়েছেন।
এখন প্রশ্ন হল কে এই কাতিপল্লী ভেঙ্কটা রমনা রেড্ডি? জানা গিয়েছে, ৫৩ বছর বয়সী এই ব্যক্তি প্রায় ৫০ কোটির মালিক। নির্বাচনী হলফনামা অনুসারে তার মোট ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ৪৯.৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে ২.২ কোটি টাকা স্থাবর সম্পদ। সাড়ে ৪৭ কোটি টাকা অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।
তার মোট ঘোষিত বছরের আয় ৯.৮ লক্ষ টাকা। যার মধ্যে ৪.৯ লক্ষ টাকা নিজের। কাতিপল্লী ভেঙ্কটা রমনা রেড্ডির মোট দেনা রয়েছে ৫৮.৩ লক্ষ টাকা। তার বিরুদ্ধে ১১টি ফৌজদারি মামলাও রয়েছে। সব থেকে বড় কথা, নির্বাচনে লড়াই করা, প্রভূত সম্পত্তির মালিক এই ব্যক্তি মাত্র ১২ ক্লাস অবধি পড়াশোনা করেছেন।
২০২৩ সালের নির্বাচনী এলাকায় মোট ২,৪৫,৮২২ জন ভোটার ছিলেন। যার মধ্যে ১,১৮,৭১৮ জন পুরুষ এবং ১.২৭,০৮০ জন মহিলা। ২৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ছিলেন। ভোটের ফলাফলে শেষ হাসি কে হাসবে? সেই প্রশ্ন থাকছেই। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী যথেষ্ট ভালো লড়াই করেছেন। এমনই বলছেন রাজনৈতিক মহল।












Click it and Unblock the Notifications