মন থেকে কাশ্মীর আর ভারতের সঙ্গে নেই, বিস্ফোরক মন্তব্য অধীর চৌধুরীর
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবুল্লাহর উপর জন সুরক্ষা আইন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতেই একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যে বিজেপিকে ঝাঁঝরা করে দিচ্ছেন বিরোধী নেতাারা। সকালেই এই বিষয়ে টুইট করে পি চিদাম্বরম জানান যে তিনি স্তম্ভিত ও মর্মাহত। এরপর আরও একটি বয়ান আসে কংগ্রেসের তরফে। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এই বিষয়ে লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধির রঞ্জন চৌধুরী বলেন, 'কাশ্মীর ভআরতীয় সীমান্তের অন্তর্গত থাকলেও সেখানকার মানুষ মানসিকভাবে আর ভারতের সঙ্গে নেই।'

'কাশ্মীরকে এভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না'
বিজেপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'আপনি কাশ্মীরকে এভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী গতকাল সংসদে ওমর আবদুল্লাহ এবং মেহবুবা মুফতির বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন এবং রাতে তাদের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইন (পিএসএ) আরোপ করা হয়। শারীরিকভাবে কাশ্মীর আমাদের সাথে আছে তবে আবেগের দিক দিয়ে নয়।'

সকালে সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন চিদাম্বরম
এর আগে আজ সকালে টুইট করে নিজের বিস্ময় ও দুঃখ পাওয়ার কথা জানান পি চিদাম্বরম। তিলি লেখেন, 'বিনা অভিযোগে আটক রাখা গণতন্ত্রের সবচেয়ে ঘৃণ্য কাজ। যখন অন্যায্য আইন পাস হয় বা অন্যায় আইন প্রয়োগ করা হয়, তখন শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা ছাড়া জনগণের কাছে আর কোন উপায় আছে?'

৬ মাস ধরে গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাহ
কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর প্রায় ৬ মাস ধরে গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাহ। সেই বন্দিদশা আরও বাড়তে চলেছে। কারণ মোদী সরকার তাঁদের উপর জন সুরক্ষা আইন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যে আইনের বলে তাঁদের আদালতে পেশ না করেই ২ বছর পর্যন্ত আটক করে রাখা যাবে।

এছাড়া একাধিক কাশ্মীরি নেতাকে বন্দি রাখা হয়েছে
শুধু ওমর এবং মেহবুবা মুফতি নয় একাধিক ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতার বিরুদ্ধে একই ধারা প্রয়োগ করতে চলেছে মোদী সরকার। এনসি-র সাধারণ সম্পাদক আলি মহম্মদ সাগর, প্রাক্তন এনসি বিধায়ক বশির ভির, পিডিপি নেতা সরতাজ মাডনির উপরে একই ধারা প্রয়োগ করা হয়েছিল। গতকাল তাঁদের বিধায়ক হোস্টেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications