কাশ্মীরে জেলবন্দি সাংবাদিক কি জঙ্গি! থমথমে উপত্যকায় উঠছে বহু প্রশ্ন
কামরান ইউসুফ, ২১ বছরের এই তরতাজা যুবক ভূস্বর্গ কাশ্মীরের রক্তস্নানের বহু দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন এযাবৎ। পেশায় তিনি চিত্র সাংবাদিক। কিন্তু এই যুবকের পেশা ঘিরে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
কামরান ইউসুফ, ২১ বছরের এই তরতাজা যুবক ভূস্বর্গ কাশ্মীরের রক্তস্নানের বহু দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছেন এযাবৎকাল। পেশায় তিনি চিত্র সাংবাদিক। কিন্তু এই যুবকের পেশা ঘিরে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে , তিনি সাংবাদিক নাকি জঙ্গি? দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকতার নয়া 'সংজ্ঞা'। যাকে নিয়ে এত প্রশ্ন , গত সেপ্টেম্বর থেকে সে জেলে। কী হয়েছিল তাঁর সঙ্গে, আর কী কী প্রশ্নই বা উঠছে, একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

প্রশাসনের মতে, ইউসুফ কিছুতেই 'আসল সাংবাদিক' নয়। কারণ ইউসুফ কাশ্মীরে সরকারি কোনও উন্নয়ন মূলক কাজের ছবি তোলে না সে। ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কাশ্মীরের দাঙ্গার ছবিই বেশ বন্দি হয় ইউসুফের ক্যামেরায়। তাকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দেওয়া নিয়েও চাপ বাড়ানো হচ্ছে প্রশাসনিক মহল থেকে, এমনই দাবি দেশের একটি প্রথম সারির সংরবাদপত্রের। ইউসুফের জেলবন্দি হওয়া নিয়ে প্রতিবাদে সরব হন কাশ্মীরের সাংবাদিকরা। কিন্তু লাভের লাভ হয়নি।
কাশ্মীরের আপেল বাগানের মাঝেই বেড়ে ওঠা ইউসুফকে যাঁরা চেনেন , তাঁরা বিশ্বাসই করতে পারছেন না যে সে 'জঙ্গি'। চিরকালই ইউসুফের মধ্যে কিছু করার 'ক্ষিদে' ছিল বলে দাবি তাঁদের। অনেকের মতে কাশ্মীরের সেনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী জনতার ইঁট ছোঁড়ার ছবি প্রকাশত হওয়া পছন্দ করছেন না সেনা। আর ইউসুফের ক্যামেরায় তা বার বার বন্দি হওয়ায় , ইউসুফের বিরুদ্ধ প্রশ্ন উঠছে। এক সাংবাদিকের ক্যামেরা কী কথা বলছে, তার ভিত্তিতে ইউসুফকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা। কী ঘচতে চলেছে তাঁর সঙ্গে, সাংবাদিকতার 'সংজ্ঞা'টাই বা কী হওয়া উচিত, প্রশ্ন সবকিছু নিয়েই।












Click it and Unblock the Notifications