জম্মু ও কাশ্মীরে প্রশাসনের অন্দরে কী ঘটেছিল! লেফটেন্যান্ট গর্ভনরের ইস্তফা ঘিরে একাধিক জল্পনা
জম্মু ও কাশ্মীরে প্রশাসনের আন্দরে কী ঘটেছিল! লেফটেন্যান্ট গর্ভনরের ইস্তফা ঘিরে একাধিক জল্পনা
কাশ্মীরের বুকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার এক বছর পূর্তির দিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির লেফটেন্যান্ট গর্ভনর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন গিরিশ মুর্মু। কিন্তু এই ইস্তফা এমন একটা সময়ে ও পরিস্থিতিতে আসে যা নিয়ে বেশ কিছু সন্দেহ ও জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি কাশ্মীরের প্রশাসনের অন্দরে কিছু ঘটছে?

জল্পনা ও তথ্য
কাশ্মীরের আমলা মহলে কান পাতলেই শোনা যায়, যে গিরিশ মুর্মুর সঙ্গে বহু অফিসারের বারবার বাক বিতণ্ডা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে বহু উচ্চপদস্থ আমলার ঠান্ডা সংঘাতও কাশ্মীরের প্রশাসনিক কাজে প্রভাব ফেলছিল বলে খবর। আমলাদের মধ্যে লবির বিভাজনও দেখা যেতে শুরু করে। বহু অফিসারের নাম বহু স্ক্যান্ডেলেও জড়িয়ে পড়ছিল। যা চিন্তায় রাখে সরকারকে।

বিতর্ক
কয়েকদিন আগেই মুর্মু একটি ইন্টারভিউতে বলেন, যে ইন্টারনেট কিভাবে কাশ্মীরের মানুষ ব্যবহার করবেন , তা নিয়ে তিনি ভয় পাচ্ছেন না। উল্লেখ্য, কাশ্মীরে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর বহুদিন ধরে বিধি নিষেধ আরোপিত হচ্ছে কেন্দ্রের নির্দেশে। আর মুর্মুর এই বক্তব্য কেন্দ্রের কাছে স্বস্তি পৌঁছয়নি বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজনীতি ও কাশ্মীর
১৯৮৫ সালে গুজরাত ক্যাডরের আইএএস অফিসার ছিলেন জিসি মুর্মু। নরেন্দ্র মোদী গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি মোদীর আওতায় বহুদিন কাজ করেছেন। খুব দাপুটে প্রশাসক হিসাবে তাঁক সুনাম রয়েছে। তবে রাজনীতিতে তিনি সেভাবে দাপুটে ছিলেন না। আর রাজনৈতিক পদ শূন্য কাশ্মীরে জিসি মুর্মুর জায়গাটা অনেকটাই প্রশ্নচিহ্ন রেখে যাচ্ছিল।

কে হচ্ছেন কাশ্মীরের পরবর্তী লেফ্টনেন্ট গভর্নর?
পূর্ব উত্তর প্রদেশের গাজিপুর আসন থেকে তিনবার লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন মনোজ সিনহা। তবে ২০১৯-এর নির্বাচনে বহুজন সবাজ পার্টির আফজল আনসারির কাছে পরাজিত হন। এছাড়াও তিনি রেলমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications