Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Bharat Ratna: বিহারের জননায়ক ভারত রত্ন, মোদীর বিবৃতিতে চমক! কর্পূরি ঠাকুরকে বিরাট সম্মানে উচ্ছ্বসিত নীতীশ

Bharat Ratna: লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় চমক। মরণোত্তর ভারত রত্ন সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন বিহারের জননায়ক কর্পূরি ঠাকুর। তিনি বিহারের দু-বারের মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়াত হন ১৯৮৮ সালে।

কর্পূরি ঠাকুরই বিহারে প্রথম অ-কংগ্রেসী সোশ্যালিস্ট নেতা যিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। কাল তাঁর জন্মশতবর্ষের সূচনা হবে। তার প্রাক্কালেই ভারত রত্ন প্রদানের এই ঘোষণা ওবিসি রাজনীতিকে অন্য খাতে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Bharat Ratna: বিহারের জননায়ক ভারত রত্ন!

দেশের সর্বোচ্চ সম্মান ভারত রত্ন ২০১৯ সালে সর্বশেষ প্রদান করা হয়েছিল প্রণব মুখোপাধ্যায়কে। তারপর ৪৯তম প্রাপক হলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে আজ এই ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি প্রথমবার ৭ মাসের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন ১৯৭০ সালে। এরপর ১৯৭৭ সালে ২ বছরের জন্য।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, কর্পূরি ঠাকুর যেভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষজনের উন্নতির জন্য কাজ করেছেন, তাঁর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন লিডারশিপ ভারতের সমাজ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যে ছাপ রেখে গিয়েছে তা মুছে ফেলা যায় না। এই পুরস্কার তাঁর অবদানের স্বীকৃতিই শুধু নয়, এই পুরস্কার ন্যায় ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তাঁর যে লক্ষ্য ছিল, তা পূরণ করতে আমাদের প্রেরণা দেবে।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তাঁর দল জেডি(ইউ)-এর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো। কর্পূরি ঠাকুরকে ভারত রত্ন ঘোষণা করা সমাজের অবহেলিত সম্প্রদায়ের প্রতিও সদর্থক বার্তা দেবে বলে উল্লেখ করেছেন নীতীশ। কর্পূরি ঠাকুর যেভাবে আজীবন সমাজের বঞ্চিত, অবহেলিতদের মানোন্নয়নের জন্য নিজেকে নিবেদিত করেছিলেন, তার স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত রত্নে তিনি ভূষিত হচ্ছেন বলে খুশির হাওয়া বিহারে।

১৯২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি সমস্তিপুরের নাই বা নাপিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কর্পূরি ঠাকুর। ১৯৭০ সালে তিনি বিহারে অ্যালকোহল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। সমস্তিপুর জেলার যে গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, পরবর্তীকালে তা তাঁর নামাঙ্কিত করা হয়। নাম রাখা হয় কর্পূরি গ্রাম।

কলেজের পঠনপাঠন পুরো না করেই তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। ভারত ছাড়ো আন্দোলনে অংশ নিয়ে গ্রেফতার বরণও করেন। রাম মনোহর লোহিয়ার আদর্শে তিনি অনুপ্রাণিত ছিলেন। জয়প্রকাশ নারায়ণেরও ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মুঙ্গেরি লাল কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিহারে পিছড়ে বর্গের জন্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করেছিলেন।

সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি ছিলেন অন্যতম পথিকৃৎ। দরিদ্র, নিপীড়িত মানুষজন তাঁর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও কৃষক-কল্যাণে। তিনি যে সাধারণভাবে মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে সামাজিক ন্যায় ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করেছেন তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও পাথেয়।

১৯৫২ সালে বিহার বিধানসভায় প্রথমবার পা রাখেন কর্পূরি ঠাকুর। আমৃত্যু তিনি বিধানসভা ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। তাঁকে ভারত রত্ন ঘোষণায় বিজেপি নিজেদের পক্ষে হাওয়া টানতে পারবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কেন না, কর্পূরি ঠাকুর অতি পিছড়া বর্গের মধ্যে পড়েন। বিহারে এই সম্প্রদায়ের ভোটার রয়েছেন ৩৬ শতাংশ। যার মধ্যে মুসলিমদের একাংশও রয়েছেন। লালু প্রসাদ যাদব, নীতীশ কুমাররা ওবিসি সম্প্রদায়ের, এই সম্প্রদায়ের ২৭ শতাংশ ভোট রয়েছে। কর্পূরি ঠাকুরের পুত্রকে জেডি(ইউ) রাজ্যসভার সাংসদ করে পাঠিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এদিনের ঘোষণা বিহার রাজনীতিতে আগামী দিনে কোন প্রভাব ফেলে সেটাই দেখার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+