জঙ্গি নাশকতার সতর্কবার্তার পরই রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করল কর্ণাটক পুলিশ
জঙ্গি নাশকতার সতর্কবার্তার পরই রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করল কর্ণাটক পুলিশ
শুক্রবার গোয়েন্দা দফতর থেকে জঙ্গি নাশকতার খবর মেলা মাত্রই রাজ্য জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করার নির্দেশ দিলেন কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই। বেঙ্গলুরুর ও মাইসোরের পাশাপাশি রাজ্যের বাকি উপূকলবর্তী এলাকা গুলিতেও এদিন তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার কথা বলেন রাজ্য পুলিশকে।

এদিন নয়া দিল্লিতে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি(এনআইএ) তাদের একটি রিপোর্টে জানিয়েছে কর্ণাটকের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে নাশকতা চালাতে পারে বাংলাদেশের জঙ্গী সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ ওরফে জেএমবি । এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন ' জঙ্গিরা স্লিপার সেলের সাহায্যে রাজ্য জুড়ে বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে বলে খবর মিলেছে। তাই রাজ্যে যত দ্রুত সম্ভব জঙ্গি নাশকতা মোকাবিলায় সরকারকে উপযুক্ত ব্যবস্থা তৈরি রাখার পরামর্শও দিয়েছে এনআইএ। ’
চলতি সপ্তাহতেই নয়া দিল্লিতে সন্ত্রাস দমনে বিশেষ প্রশিক্ষিত অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠকে এনআইএ প্রধান যোগেশ চন্দ্র মোদীকে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কাবানী শোনাতে দেখা যায়। ওই দিনের বৈঠকে তিনি জানান বাংলাদেশের এই জঙ্গী সংগঠনটি ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ড, বিহার, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক ও কেরালায় তাদের সংগঠনের ভীত আরও মজবুত করেছে। তিনি আরও বলেন বিগত কয়েক বছরে শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই তারা ২০ থেকে ২৫টি গোপন আস্তানাও তৈরি করেছে। যার মাধ্যমে জেএমবি গোটা দক্ষিণ ভারতে নিজদের শাখা প্রশাখা আরও বাড়াতে চাইছে বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।
জঙ্গি দমন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন বলেন 'রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকা গুলিতে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বিগত কয়েক মাসে বৃদ্ধি পেলেও সরকার সেই বিষয়ে সদা সতর্ক রয়েছে।’ এদিকে কিছুদিন আগেই তিনি ঘোষণা করেন জঙ্গি মোকাবিলায় বেঙ্গালুরু কেন্দ্রিক বিশেষ প্রশিক্ষিত একটি 'অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড’ ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে। নভেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে এই বিশেষ জঙ্গি দমনমূলক শাখাটি রাজ্যে জুড়ে এনআইয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ শুরু করবে বলেও জানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications